আমি কোন মুপিবোদ্ধা নই যে মু্পি রিবিউ লিখব। কালকে গেসিলাম অনন্ত বাইয়ের নিঃস্বার্থ বালুবাসা দেক্তে। তাই আইজ এই অমর মুপির সম্পর্কে আমার বন্ধু মহলকে কিঞ্চিত জানানোই এই পুস্টের উদ্দেশ্য। আর আমি বাংলা ভাষায় নিতান্তই নিদান তাই গুরু এবং চন্ডাল উভয় সাহেবের উপস্থিতিতে কেউ মাইন্ড খাইয়েন না।
কাহিনী বেত্তান্তঃ
কিন্তু ভাগ্য সহায় হয় না। কলেজে পরার সময় রাজ্জাক সাহেব পরলোক গমন করলে মেঘলা আবার পূর্বদশায় যায় মেঘলা। তখন জলিল বাই চুপারস্টার। তার ছবি বুকে নিয়া মাইয়ারা ঘুমায়, পুলারা টয়লেটে যায় (বি,দ্র, ন্যাস্টি মাইন্ডস, স্টে অ্যাওয়ে)
এরপর জলিল বাইয়ের এক লাইভ শু (জুতা না কিন্তু আবার) তে মেঘলা তার প্রেমে হাবুডুবু খায়। সেকরেটারীর কাছ থিকা তার কার্ড নেয়। পরে ফুন দিয়া যায় তার অপিসে। জলিল বাই ব্যস্ত মানুষ, পরথমে দেহা করতে চায় না, কিন্তুক কি মনে কইরা জানি তারে তার নিজের অফিসে বসাইতে কয়। (বজ্জাত পুলাপাইন, চিন্তার লাগাম টাইনা রাখো) যাই হোক মেঘলাপু তার এত্ত বড়ড় অপিস দেইখা ভিড়মি খায়। এখান থেকে শুরু হইবে বালুবাসার পর্ব। জলিল বাই তার গল্প শুইনা কাইত। তারে ঢাকায় গাড়ি-বাড়ি কিন্না দেয়। মেঘলাপু ঘুইরা বেড়ায় মনের সুখে। দেশে তার বাপ মারেও বাড়ি কইরা দেয় আর বইনদের ঢাকায় পড়ালেখার ব্যবস্থা করে জলিল বাই। কিন্তু সে অন্নেক ব্যস্ত থাকায় মেঘলাপুরে সময় দিতে পারে না। এই চামে একজন আইসা মধু খাইতে চায়। নিজের লেখা একটা কবিতার কথা মনে পইরা যায়, যা কোন এক কবি বন্দুরে নিয়া লেখছিলাম-
মধু যদি জমে এসে মৌচাকে
সাধু হয়ে না থেকে খেয়ে নিও ফাঁকে।
ভাবো যদি রেখে ঢেকে খাবে তুমি পরে
ঝরে যাবে সেই মধু অন্যের তরে।
বলা বাহুল্য, হইলোও তাই। মেঘলা আপুর সাথে এক পাংখার (ফ্যান) বিরাট পিরিতি। জলিল বাই তারে ফুন দিয়া ব্যস্ত পায়। মনের দুঃখে অবিনয় করতে গিয়া দড়ি ছিড়া পইরা যায় (ওজনের জন্যেই ছিড়ছে বইলা মনে লয়)। তারে নিয়া যায় দেশের বাইরে। সেইখান থিকা মেঘলাপু দেশে চইলা আসে মধু বিতরন করতে। আর জলিল বাই জানতে পারে মৌচাকে ঢিল পরেছে। এরপর নানান হাঙ্গামা। আর মেঘলাপুর নানান পিরিতি (একটার পর একটা)। লিখা শেষ করা সম্ভব না। শেষমেস মিসা সওদাগর মেঘলাপুরে সওদা করতে চায়। ইন্টারন্যাশনাল মঢেল বানানোর লুভ দেখাইয়া আবার তারে শরাব খিলায়া সাদা স্ট্যাম্পে সই লইয়া লয়।
আর জলিল বাই মেঘলাপুরে নিষেধ করলে তাদের মইধ্যে কলহ বাদে। জলিল বাই তার দেয়া গাড়ি ফিরায়া নেয়। এতে মেঘলাপু চেইতা গিয়া তার মা-বাবা-বোনদের সাথেও সম্পর্ক নষ্ট কইরা ফালায়। জলিল বাই বুজতে পারে নারী জাতি খালি টেকা চিনে।
আলুচনাঃ
আলুর সাথে চনা (গোমূত্র) মিলাইয়া কিন্তু ইহা বানায় না। এইডা হইল গুল গুল টেবিলে বইসা করতে হয় অথবা আমার মত অপিসে কাম ফাকি দিয়া পুস্ট লিখা করতে অয়। ফাইজলামি বাদ।
১. জলিল ভাইয়ের উচ্চারন কিন্তুক আগের চাইতে ভালো হইসে
২. অভিনয়ও আগের চাইতে অনেক ইম্প্রুভড, তয় ময়লা ধোলাইকারী বর্ষাপুর উন্নতি কম
৩. মুভির অ্যানিমেশন ভাল হইসে, তবে এতোটা খেলো না করে আরেকটু ভালো করা যেত
৪. গানগুলাও খারাপ না।
আর সবচে বড় কথা যেটা এই ছবি দেখার পয়সা উসুল, নির্মল বিনুদুন। অনন্তরে নিয়া বহুত পচানি হইসে, চলবেও জানি। সে নিজেরে অনেক বড় ভাবে, হেন তেন ইত্যাদি। কুংফু পান্ডা মুভির একটা ডায়লগ মনে পরলঃ “there is no secret ingredient of ‘secret ingredient soup’ if you want to make it special, you have to just think its special.”
যাই হোক, ধইন্যবাদ কষ্ট কইরা পড়ার জন্য। হ্যাভ ফান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


