somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন পথে যাচ্ছে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদল

১৭ ই জুলাই, ২০১৪ সকাল ৭:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের অধিনস্থ ইউনিট গুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদল। গত চার বছর আগে টুকু আলিম দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর ৮ সদস্যের এক বিতর্কীত কমিটি দিয়ে যায়। এই কমিটি দীর্ঘ চার বছর অতিক্রম করলেও এখন পর্যন্ত ৮ সদস্যের মধ্যেই সিমাবদ্ধ রয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের কমিটি পূনাঙ্গের বেপারে ব্যাপক চাপ থাকলেও জেলা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবিন্ধ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীয় করন হওয়ার আশংকায় বরাবরই এই ব্যাপারে ছিলেন উদাসীন।
উল্লেখ্য এই জেলার অন্তরগত ইউনিটের সংখ্যা ৪৭টি। টুকু আলিম কমিটি পরবর্তিতে জুয়েল হাবিবের বর্তমান কমিটি বারবার জেলা নেতাদের সকল ইউনিট ও জেলা পূর্নাঙ্গ করার বেপারে তাগিদ দিলেও জেলার দুই শীর্ষ নেতা বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে গরিমসি করেন।
ময়মনসিংহ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও শাহ আলম চৌধুরী দায়িত্ব পাওয়ার পর জেলার অন্তর্গত ঈশ্বরগঞ্জ, গফরগাঁও, মুক্তাগাছা ইউনিট কমিটি গুলো দেন। এ কমিটি গুলো করতে গিয়ে জেলা নেতাদের সহায়তায় মোটা অংকের টাকা লেনদেন করে কমিটি ঘোষণা করেন।
সম্প্রতি জুয়েল হাবিব কারামুক্ত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে বর্তমান নেতৃত্ব বহাল এবং নতুন কমিটির দাবিতে কেন্দ্রীয় সংসদের শীর্ষ নেতবৃন্দ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পরেন। এই পেক্ষাপটে ময়মনসিংহ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা ফিরোজ শাহ আলম নতুন কমিটির পক্ষে অবস্থান নেন। এ অবস্থায় ফিরোজ শাহা আলমের সাথে ময়মনসিংহ জেলার শীর্ষ এক নেতার সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়। জুয়েল হাবিবকে অবগত না করে ফিরোজ শাহ আলম বিভিন্ন থানা ইউনিট গুলোতে জেলার ঐ শীর্ষ নেতার পছন্দের লোককে দিয়ে কমিটি ঘোষণা করার প্রক্রিয়া প্রায় চুড়ান্ত করেন। আর বিনিময়ে তারা থানা নেতাদের কাছ থেকে ঐ শীর্ষ নেতার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা গ্রহন করেন। কিছু কিছু থানা নেতাদের কাছ থেকে ফিরোজ শাহ আলম সরাসরি টাকা দাবি করেন বলে জানা যায়। জেলায় এ ব্যাপারটা আর গোপন নেই। জেলা ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত সকল পর্যায়ের নেতা কর্মী এ ব্যাপার গুলো অবগত। তবে জুয়েল হাবিব সময়মত এই ব্যাপারে অবহিত হয়ে বিভিন্ন থানা ইউনিট অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেন বলে জানা যায়।
বর্তমানে বিভিন্ন ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার কারনে এবং দীর্ঘ চার বছরেও কোন কমিটি ঠিকমত করতে না পারার করনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলার শীর্ষ নেতাদের প্রতি চরম ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এদিকে জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহরস্থ ইউনিট গুলোর বেহাল অবস্থা। মশিউর রহমান সোহাগকে সভাপতি ও রোকন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ বছর আগের করা কমিটি দিয়েই চলছে ময়মনসিংহ নগর ছাত্রদল। নগরের সাধারণ সম্পাদক দীর্ঘ দিন যাবত চাকরী জনিত কারনে ময়মনসিংহের বাইরে থাকেন। তার অনুপস্থিতিতে কে তার দায়িত্ব পালন করছেন নগরের সভাপতি এই বেপারে কোন সুদোউত্তর দিতে পারেন নাই। তিনিও শহরে থাকেন না বেলই যানা গেছে। ব্যবসা বানিজ্য ও বউ বাচ্চা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। মাঠ পর্যায়ে খোজ নিয়ে জানা যায় ১/১১ পর নগর ছাত্রদলের ব্যনারে কোন প্রোগ্রাম হয়নি এই শহরে।
উল্লেখ্য, শহরস্থ সকল ইউনিটের কমিটি ভেঙ্গে দিলেও জেলার সাধারণ সম্পাদকের খুব কাছের লোক হওয়ায় এখনো নগর ছাত্রদলের কমিটি বহাল রয়েছে। পক্ষান্তরে তুলনামূলক সক্রিয় শওকত হোসেন সুমন ও শামছুল ইসলাম রাসেলের নেতৃত্বাধীন আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয় রহস্যজনক এক কারনে। দীর্ঘ আড়াই বছর যাবত কমিটি বিহীন চলছে এই গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটটি।
হজবরল বর্তমান কোতুয়ালী কমিটির সভাপতি নিভলু সরকার বর্তমানে জেলা যুবদলের সক্রিয় কর্মী। সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন দীর্ঘ দিন যাবৎ মাদক ও হত্যা মামলায় জেলখানায় আছেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের ২০ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটি করা হয়েছে ড্যাবের মহাসচিব ডাঃ জাহিদ হোসেনের একক প্রচেষ্টায়।
বর্তমান বেহাল ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি দেওয়ার ব্যাপারে নিতগত সিগ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সংসদ। কিন্তু এতে বাদ সাদে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। সূত্রে জানা গেছে অতি সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির শীর্ষ এক নেতার ব্যবসায়ী ছোট ভাইয়ের ঢাকা বনানী অস্থ চেম্বারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবের সাথে ময়মনসিংহ ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি বহালের ব্যাপারে রুদ্রকর এক বৈঠক হয়। রুদ্রকর এই বৈঠকের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুকোনোজ্জামান রুকন সরকার। তৃণমূল এর সপ্ট দাবি, অতি দ্রুত এই ব্যর্থ ও অযোগ্য কমিটি ভেঙ্গে জেলা ছাত্রদলের সকল গ্রুপকে সমন্বয় করে যততারাতারি সম্ভব নতুন এক কমিটি ঘোষণা করা হোক। এবং সেই কমিটিকে কমিটি পূনাঙ্গের ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে বাধ্য বাধকতা দেয়া হোক।




জনতার কণ্ঠ ডট কম থেকে নেয়া : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের অধিনস্থ ইউনিট গুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদল। গত চার বছর আগে টুকু আলিম দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর ৮ সদস্যের এক বিতর্কীত কমিটি দিয়ে যায়। এই কমিটি দীর্ঘ চার বছর অতিক্রম করলেও এখন পর্যন্ত ৮ সদস্যের মধ্যেই সিমাবদ্ধ রয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের কমিটি পূনাঙ্গের বেপারে ব্যাপক চাপ থাকলেও জেলা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবিন্ধ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীয় করন হওয়ার আশংকায় বরাবরই এই ব্যাপারে ছিলেন উদাসীন।
উল্লেখ্য এই জেলার অন্তরগত ইউনিটের সংখ্যা ৪৭টি। টুকু আলিম কমিটি পরবর্তিতে জুয়েল হাবিবের বর্তমান কমিটি বারবার জেলা নেতাদের সকল ইউনিট ও জেলা পূর্নাঙ্গ করার বেপারে তাগিদ দিলেও জেলার দুই শীর্ষ নেতা বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে গরিমসি করেন।
ময়মনসিংহ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও শাহ আলম চৌধুরী দায়িত্ব পাওয়ার পর জেলার অন্তর্গত ঈশ্বরগঞ্জ, গফরগাঁও, মুক্তাগাছা ইউনিট কমিটি গুলো দেন। এ কমিটি গুলো করতে গিয়ে জেলা নেতাদের সহায়তায় মোটা অংকের টাকা লেনদেন করে কমিটি ঘোষণা করেন।
সম্প্রতি জুয়েল হাবিব কারামুক্ত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে বর্তমান নেতৃত্ব বহাল এবং নতুন কমিটির দাবিতে কেন্দ্রীয় সংসদের শীর্ষ নেতবৃন্দ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পরেন। এই পেক্ষাপটে ময়মনসিংহ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা ফিরোজ শাহ আলম নতুন কমিটির পক্ষে অবস্থান নেন। এ অবস্থায় ফিরোজ শাহা আলমের সাথে ময়মনসিংহ জেলার শীর্ষ এক নেতার সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়। জুয়েল হাবিবকে অবগত না করে ফিরোজ শাহ আলম বিভিন্ন থানা ইউনিট গুলোতে জেলার ঐ শীর্ষ নেতার পছন্দের লোককে দিয়ে কমিটি ঘোষণা করার প্রক্রিয়া প্রায় চুড়ান্ত করেন। আর বিনিময়ে তারা থানা নেতাদের কাছ থেকে ঐ শীর্ষ নেতার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা গ্রহন করেন। কিছু কিছু থানা নেতাদের কাছ থেকে ফিরোজ শাহ আলম সরাসরি টাকা দাবি করেন বলে জানা যায়। জেলায় এ ব্যাপারটা আর গোপন নেই। জেলা ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত সকল পর্যায়ের নেতা কর্মী এ ব্যাপার গুলো অবগত। তবে জুয়েল হাবিব সময়মত এই ব্যাপারে অবহিত হয়ে বিভিন্ন থানা ইউনিট অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেন বলে জানা যায়।
বর্তমানে বিভিন্ন ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার কারনে এবং দীর্ঘ চার বছরেও কোন কমিটি ঠিকমত করতে না পারার করনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলার শীর্ষ নেতাদের প্রতি চরম ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এদিকে জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহরস্থ ইউনিট গুলোর বেহাল অবস্থা। মশিউর রহমান সোহাগকে সভাপতি ও রোকন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ বছর আগের করা কমিটি দিয়েই চলছে ময়মনসিংহ নগর ছাত্রদল। নগরের সাধারণ সম্পাদক দীর্ঘ দিন যাবত চাকরী জনিত কারনে ময়মনসিংহের বাইরে থাকেন। তার অনুপস্থিতিতে কে তার দায়িত্ব পালন করছেন নগরের সভাপতি এই বেপারে কোন সুদোউত্তর দিতে পারেন নাই। তিনিও শহরে থাকেন না বেলই যানা গেছে। ব্যবসা বানিজ্য ও বউ বাচ্চা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। মাঠ পর্যায়ে খোজ নিয়ে জানা যায় ১/১১ পর নগর ছাত্রদলের ব্যনারে কোন প্রোগ্রাম হয়নি এই শহরে।
উল্লেখ্য, শহরস্থ সকল ইউনিটের কমিটি ভেঙ্গে দিলেও জেলার সাধারণ সম্পাদকের খুব কাছের লোক হওয়ায় এখনো নগর ছাত্রদলের কমিটি বহাল রয়েছে। পক্ষান্তরে তুলনামূলক সক্রিয় শওকত হোসেন সুমন ও শামছুল ইসলাম রাসেলের নেতৃত্বাধীন আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয় রহস্যজনক এক কারনে। দীর্ঘ আড়াই বছর যাবত কমিটি বিহীন চলছে এই গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটটি।
হজবরল বর্তমান কোতুয়ালী কমিটির সভাপতি নিভলু সরকার বর্তমানে জেলা যুবদলের সক্রিয় কর্মী। সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন দীর্ঘ দিন যাবৎ মাদক ও হত্যা মামলায় জেলখানায় আছেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের ২০ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটি করা হয়েছে ড্যাবের মহাসচিব ডাঃ জাহিদ হোসেনের একক প্রচেষ্টায়।
বর্তমান বেহাল ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি দেওয়ার ব্যাপারে নিতগত সিগ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সংসদ। কিন্তু এতে বাদ সাদে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। সূত্রে জানা গেছে অতি সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির শীর্ষ এক নেতার ব্যবসায়ী ছোট ভাইয়ের ঢাকা বনানী অস্থ চেম্বারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবের সাথে ময়মনসিংহ ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি বহালের ব্যাপারে রুদ্রকর এক বৈঠক হয়। রুদ্রকর এই বৈঠকের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুকোনোজ্জামান রুকন সরকার। তৃণমূল এর সপ্ট দাবি, অতি দ্রুত এই ব্যর্থ ও অযোগ্য কমিটি ভেঙ্গে জেলা ছাত্রদলের সকল গ্রুপকে সমন্বয় করে যততারাতারি সম্ভব নতুন এক কমিটি ঘোষণা করা হোক। এবং সেই কমিটিকে কমিটি পূনাঙ্গের ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে বাধ্য বাধকতা দেয়া হোক।



০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×