
আবহাওয়াবিদ বা আবহাওয়া সম্পর্কিত গবেষকরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমেই আবহাওয়া সম্পর্কিত সংবাদের প্রতি চোখ বুলায় এর পরে বিভিন্ন আবহাওয়া মানচিত্র দেখে বোঝার চেষ্টা করে আজকের আবহাওয়াটা কেমন হবে? আমিও ব্যতিক্রম নাই।
আজ ৩রা জুলাই ঘুম থেকে উঠেই চোখে পড়ল দৈনিক বনিক-বার্তা পত্রিকায় সম্পাদকীয় পাতায় ২০১৮ সালের বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ নিয়ে আমার একটি গবেষণা মূলক লেখা "বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুম ২০১৮-এর পূর্বাভাস" প্রকাশিত হয়েছে (লেখাটা প্রায় ১ মাস পূর্বে সম্পাদকের টেবিলে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু পত্রিকাটি যেহেতু বাণিজ্য বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে, সম্পাদকীয় নীতিমালার কারণে, তাই আবুল মাল আব্দুল মহিত এর পাল্লায় পড়ে অর্থাৎ বাজেটের কারণে প্রকাশ হতে কিছুটা সময় লেগেছে।)। চেষ্টা করছি লেখার টেকনিকাল বিষয়গুলো সকলের জন্য বোধগম্য করে লিখতে। লেখাটি সবাইকে পড়ার আমন্ত্রণ রইল। লেখা সম্বন্ধে আপনাদের কোন পরামর্শ থাকলে নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন। "বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুম ২০১৮-এর পূর্বাভাস", দৈনিক বনিকবার্তা, জুলাই ৩, ২০১৮।

অন্য সংবাদটি হলও বান্দরবান জেলায় বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু। জুন মাসের ২৫ তারিখ নিজের ফেসবুক ওয়ালে লিখেছিলাম যে "জুলাই মাসের ৪, ৫ ও ১০ তারিখে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, বান্দরবন, ও রাঙ্গামাটির জেলায় ভারি বৃষ্টি হওয়ার নির্দেশ করতেছে আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল।"
পুরো মৌসুমের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ করা খবুই কঠিন বিষয়। মানে পূর্বাভাষ সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০-৫০। ব্রিটিশ পরিসংখ্যান বিদ জর্জ বক্সের একটা উক্তি আবহাওয়া বিদরে সবসময়ই উল্লেখ করে থাকে আমিও করলাম "All Models Are Wrong, But, Some are Useful." আশা করছি আমার প্রকাশিত লেখাটা ২০১৮ সালের বৃষ্টিপাত সম্বন্ধে কিছুটা ধারণা দিতে পারবে। সরকারের নিতি-নির্ধারকরা উপকৃত হলেও হতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




