somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেধা বিকাশের সুযোগ দেয়া হউক!!!

২১ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে,তা অবশ্যই সমর্থনযোগ্য।তবে এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হলে যে রকম গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ করতে পারেনি বলেই মনে হচ্ছে।আর এ কারনেই অবিচার করা হচ্ছে ২০১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে।

একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের রয়েছে।ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে তাদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।কিন্তু যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই জনকল্যাণকর বিষটিকে গুরুত্ব দিতে হবে।এ ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছুটা উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে ২০১৪ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে।কারণ এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হুট করেই ২০১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।

অনেকেই যখন পরীক্ষা খারাপ দিয়ে অথবা বিভিন্ন কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি তারাও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন আগামীবার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে স্বপ্নের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ঠিক সেই সময়ে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার।সদ্য টিনেজার পার হওয়া শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক।একটি দাবি মানা যায় যে সিদ্ধান্তটা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর করা হউক।
দ্বিতীয়বার ভর্তি অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনশূন্যতা দেখা দেয়।এ রকম আসনস্বল্পতার মধ্যে প্রতি বছর গড়ে তিনশ থেকে সাড়ে তিন শ আসন মাস্টার্স পর্যন্ত শূন্য থাকা বিরাট অপচয়।এই আসনগুলো যেমন নষ্ট হচ্ছে,তেমনি নতুন বছরের আসনের ওপর পুরোনো বছরের ভর্তি-ইচ্ছুকেরা ভাগ বসাচ্ছে।ফলে এর একটা সুরাহা হওয়া দরকার।আর এর সমাধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা অবশ্য যুগপোযোগি।এর মাধ্যমে প্রতি বছর অধিকসংখ্যক ছাত্রছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে সচেষ্ট হবে।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ের উপাচার্য একটি টিভি চ্যানেলের সাথে আলাপচারিতায় বলেন যে,যে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে একটি পক্ষ সন্তুষ্ট থাকবে আরেকটি পক্ষ অসন্তুষ্ট হবে।কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমার ভাষ্য হচ্ছে এখানে পক্ষ বিপক্ষ বড় কথা নয়।শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই কাজ করতে হবে।এখানে কোনো রাজনীতি নেই একটাই পরিচয় সবাই শিক্ষার্থী।সুযোগ দিতে হবে সবাইকে ভাল প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার ক্ষেত্রে।



০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৮ ই মে, ২০২৪ ভোর ৬:২৬

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।
প্রথমত বলে দেই, না আমি তার ভক্ত, না ফলোয়ার, না মুরিদ, না হেটার। দেশি ফুড রিভিউয়ারদের ঘোড়ার আন্ডা রিভিউ দেখতে ভাল লাগেনা। তারপরে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মসজিদ না কী মার্কেট!

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১৮ ই মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৯

চলুন প্রথমেই মেশকাত শরীফের একটা হাদীস শুনি৷

আবু উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইহুদীদের একজন বুদ্ধিজীবী রাসুল দ. -কে জিজ্ঞেস করলেন, কোন জায়গা সবচেয়ে উত্তম? রাসুল দ. নীরব রইলেন। বললেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আকুতি

লিখেছেন অধীতি, ১৮ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৩০

দেবোলীনা!
হাত রাখো হাতে।
আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে বিষাদ নেমে আসুক।
ঝড়াপাতার গন্ধে বসন্ত পাখি ডেকে উঠুক।
বিকেলের কমলা রঙের রোদ তুলে নাও আঁচল জুড়ে।
সন্ধেবেলা শুকতারার সাথে কথা বলো,
অকৃত্রিম আলোয় মেশাও দেহ,
উষ্ণতা ছড়াও কোমল শরীরে,
বহুদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক- এর নুডুলস

লিখেছেন করুণাধারা, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ৮:৫২



অনেকেই জানেন, তবু ক এর গল্পটা দিয়ে শুরু করলাম, কারণ আমার আজকের পোস্ট পুরোটাই ক বিষয়ক।


একজন পরীক্ষক এসএসসি পরীক্ষার অংক খাতা দেখতে গিয়ে একটা মোটাসোটা খাতা পেলেন । খুলে দেখলেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্প্রিং মোল্লার কোরআন পাঠ : সূরা নং - ২ : আল-বাকারা : আয়াত নং - ১

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:১৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আল্লাহর নামের সাথে যিনি একমাত্র দাতা একমাত্র দয়ালু

২-১ : আলিফ-লাম-মীম


আল-বাকারা (গাভী) সূরাটি কোরআনের দ্বিতীয় এবং বৃহত্তম সূরা। সূরাটি শুরু হয়েছে আলিফ, লাম, মীম হরফ তিনটি দিয়ে।
... ...বাকিটুকু পড়ুন

×