জামায়াতিদের অবস্থা সুরা বাকারার ইহুদীদের মতো। ওরা শুরু থেকেই আল্লাহর নির্দেশনা মোতাবেক গরু জবাই করতে ইচ্ছুক ছিলো না বলেই বিভিন্ন প্রশ্নবাণে মুসা (আ: ) কে জর্জরিত করেছিলো। গরু কেমন হবে? কি তার বৈশিষ্ট্য? কেমন তার আচরণ? কি তার বয়স? কেমন তার বেড়ে ওঠা, ইত্যাদি ইত্যাদি....। যেন আল্লাহই বিরক্ত হয়ে তাদের গরু জবাই করার দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়। যাই হোক শেষ পর্যন্ত গরু জবাই তাদের করতে হয়েছিলো।
কুরআন-২: (৬৭-৭১)
তেমনি জামায়াতিদের ৭১ নিয়ে যতবারই বলা হোক না কেন, "স্বীকার কর, স্বীকার কর"। স্বীকার তো করবেই না উল্টো বিভিন্ন রকম অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করবে (বঙ্গবন্ধু আদৌ বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেয়েছিলেন কিনা.....এ জাতীয়), সত্যের সাথে মিথ্যার রংধনু মিশিয়ে সেটার ওপর ভিত্তি করে আরও কয়েক দফা প্রশ্ন উত্থাপন করবে, অহেতুক সহজ সরল ঐতিহাসিক সত্যকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করবে, কারন স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে তাদের ৭১ কে স্বীকার করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আর স্বাধীনতার পক্ষের লোকজনও যেন বিরক্ত হয়ে, ধৈর্য্য হারা হয়ে ৭১ নিয়ে ওদের নিজস্ব বয়ান/অভিসন্ধি মেনে নেয়। প্রবাসী জামায়াতি রাজাকাররা তো আরো ১ ডিগ্রি ওপরে। এরা অবলীলায় বলে বেড়ায় যে, দখলদার পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসর রাজাকাররা ৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে মোটেও ৩০ লক্ষ নয়, বড় জোর ৩ হাজার বাঙ্গালী পটল তুলেছে। কিন্তু এই প্রবাসের জামায়াতি খারেজিরা ঘূর্নাক্ষরেও ২য় বিশ্বযুদ্ধে holocaust এ নিহত ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যার সংখ্যা নিয়ে বলে বসে না যে হিটলার প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৬ হাজার ইহুদি মেরেছিলো, ৬০ লক্ষ নয়। বললে ইউরোপ/আম্রিকার কর্তপক্ষ তাদের ঠিকই লাথি মেরে deport করতো।
আমাদের জামায়াতি রাজাকার ও তার ধারক বাহক ২.০ প্রজন্মের শাবকরা আজও গরু জবাই দেয়নি। গো ধরে বসে আছে যে তারা যে কোন মূল্যে গরু জবাই দেবে না। কিন্তু ইহুদীরা যেমন শেষমেশ গরু জবাই দিতে বাধ্য হয়েছিলো, তেমনি এই জামায়াতি রাজাকারদেরও শেষ পযর্ন্ত ৭১ কে স্বীকার করতেই হবে।
Detox of present society by means of DeJamatification.....জামায়াতমুক্ত সমাজ।
৭১ নিয়ে বানিজ্য করা খুব খ্রাপ....কিন্তু তার পরিবর্তে ইসলাম/ধর্ম নিয়ে বানিজ্যে নেমে পড়া কি সমিচিন?
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




