১৫ এপ্রিল ২০১৪ মঙ্গলবার দুপুর ১:১২ এয়ারটেল অফিস পিঙ্কসিটি গুলশান- ২ ঢাকা
প্রিয় মৃন্ময়ী,
প্রতিবারের ন্যায় এবারে পুরো বাংলাদেশ বর্ষবরণ করেছে বিপুল আনন্দায়োজনের মধ্য দিয়ে। বাহারি রং বিশেষত লাল-সাদা-নীল-হলুদ রঙের ফ্যাশন্যাবল পোশাকের প্রদর্শন। পহেলা বৈশাখে ছেলেদের কমন পোশাক হলো পাঞ্জাবি আর মেয়েদের শাড়ি।
আমরা পুরো দিন কাটিয়েছি উৎসবমুখর পরিবেশে। ধানমন্ডি-ঢাবি ক্যাম্পাস-পুরান ঢাকা-মিরপুরে ছিল আমাদের পদচারণা। গতকালকের ঘটনাবলি বিস্তারিত লেখার আগে একটি তথ্য বলা দরকার।
আমি আগে জানতাম যে, বাংলা বর্ষপঞ্জির তারিখ পরিবর্তন হয় ভোর ছয়টা থেকে। কিন্তু গতকাল জানলাম ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একটি 'টাস্ক ফোর্স' গঠন করে। এই টাস্ক ফোর্স যেসব সুপারিশ করে, সেগুলো হলো-
১. বৈশাখ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত প্রতিমাসে ৩১ দিনে এবং আশ্বিন থেকে চৈত্র পর্যন্ত প্রতিমাস ৩০ দিনে গণনা করা হবে।
২. গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির অধিবর্ষে ফাল্গুন মাস ৩১ দিনে গণনা করা হবে।
৩. তারিখ পরিবর্তনের সময় হবে আন্তর্জাতিক রীতি অনুসারে রাত ১২টায়।
১৪০২ বঙ্গাব্দের পহেলা বৈশাখ থেকে এটি কার্যকর হয়। (তথ্যসূত্র: একরামুল হক শামীম ভাইর ফেসবুক স্ট্যাটাস)
২.
গতকাল সকালে ফারিয়া ওর কাজিন নাতাশাকে নিয়ে বাসায় আসে সোয়া ১০টার দিকে। উদ্দেশ্য মিমকে সাজুগুজু করে দেয়া। মিমের সজ্জা শেষ হলে আমরা একত্রে বেরিয়ে ধানমন্ডির ফটোহাটে যাই। সেখানে নাতাশার কিছু ছবি তোলা হয়। ফারিয়া বলল, নাতাশার বিয়ে দেয়া হবে। তাই ছবি তোলা হয়েছে। যিশু ভাইয়ারও আমাদের সাথে বের হবার কথা। কিন্তু পরে আর বের হয়নি। তবে ওর জন্য যে পাঞ্জাবিটি কিনেছিলাম, সেটি ওর ঠিকভাবে লেগেছে। মানিয়েছেও দারুণ।
(অনেক কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মনটা ভীষণ বিষণ্ন হয়ে আছে। কিছুই ভালো লাগছে না। চোখেও প্রচন্ড ঘুম পাচ্ছে। এরপর যদি কোনোদিন লিখতে বসি, তখন নিচ থেকে বিস্তারিত লিখব। এখনকার মত বিদায়।)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৬:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



