২৮ অগাস্ট ২০১৪ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩:১৭ ওজগুড ক্যাম্পাস, ইটন সেন্টার, টরন্টো
আমার পাশে সবাই কনভারসেশনে ব্যস্ত। ও হ্যাঁ, আমি ক্লাশে বসে ব্লগ লিখতে বসছি। এখন ব্রেক চলছে। সবাই কফি খাচ্ছে, ফ্রুটস খাচ্ছে; আড্ডা দিচ্ছে, হো হো করে হাসছে! আমার পাশেই চারজন জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে। আর আমি কী করছি? ব্লগ লিখছি! কেন? কারণ, আমি টকেটিভ না! এমনিতেই আমার ইংরেজি 'অতি দুর্বল'! ফ্লুয়েন্সি আনার জন্য প্রচুর কথা বলা প্রয়োজন। কিন্তু আমি তো বাংলাতেই কথা বলার বিষয় খুঁজে পাই না। ইংরেজিতে কি বলব! আমাদের গ্রুপে (ক্লাশ ডিসকাশনের জন্য চারটি গ্রুপ করা হয়েছে) তিনজন চরম মাত্রায় টকেটিভ; বিশেষ করে একজন মধ্যবয়স্ক মহিলা; পেশায় ট্যাক্স কনসালট্যান্ট। ওকে আমি যতই দেখি, অবাক হয়ে যাই! সে নন-স্টপ কথা বলে! কথা বলার এত টপিক কোথায় পায় কে জানে! এরা খুব সাধারণ ব্যাপারেও হো হো করে হাসে! নানা ধরনের মুখভঙ্গি করে! আমি এই পরিবেশে যে বড্ড বেমানান! মনে হয় আমি গভীর সমুদ্রের ধরা-ছোঁয়ার বাইরের কোনো প্রাণী যাকে ডাঙায় একঝাঁক প্রাণীর সাথে তালমিলিয়ে চলার জন্য পাঠানো হয়েছে!
যাই হোক, ক্লাশ শুরু হয়ে গেছে। বাকিটুকু পরে লিখব।
(২৪ এপ্রিল ২০১৫ শুক্রবার)
সেদিন ওয়াশরুমে গিয়ে শুনি যে, ওপাশের ওয়ারশরুমে একজন বাঙালি কথা বলছে। কিন্তু আজো জানতে পারিনি সেই মানুষটা কে! ক্লাশ থাকায় প্রাকৃতিক কর্ম সেরেই আমি ক্লাশে চলে যাই। মূলত সেই ঘটনা নিয়ে এই লেখাটির শিরোনাম করা হয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৬:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




