নটরডেম কলেজের এক শিক্ষক নাম মুখতার আহমেদ তারে নিয়েই তার ছাত্ররা এই পেজ খুলসে,যদিও আমি জানিনা আদৌ ব্যাপারটা সত্য কিনা তারপরেও হাস্যরস যেহেতু খুজে পেলাম তাই শেয়ার করলাম।কারো কুচকিতে লাগলে আমার কোন দায় নাই।
নটরডেম কলেজের গৌরব...... মুখতার স্যার...... কিছুটা অশ্লীল, তবে অকপট !!
স্ত্রী হোক আর যাই হোক, একজন নারীর উরুসন্ধিতে মুখ লাগিয়ে অন্তঃরস গ্রহণ করা অত্যন্ত বিকৃত মানসিকতার মধ্যে পড়ে, আমি ভিডিও চিত্রতে দেখেছি!!
পরীক্ষার খাতায় চিঠি সুন্দর ভাবে উপস্থাপনের জন্য স্যারের বেশ কয়েকটি কালজয়ী উপদেশের একটি হলঃ-
"পত্রের প্রতি লাইনের মাঝে অবশ্যই দু- আঙ্গুল ফাঁক ( উচ্চারণ টা 'ফ' আর উপর জোর দিয়ে ও চন্দ্রদিন্দু পরিহার করে যেন তা একটি ইংরেজি শব্দের মত শোনায় ) রাখবে- ফাঁক মানে গ্যাপ । ফাঁক এর পরিমান সবসময় নির্দিষ্ট থাকা উচিত । ফাঁক মাপবে কিভাবে ? - ফাকের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে মেপে নিবে......"
মুখতার আহমেদ-
"আমার হাতে যখন সুবর্ণার প্রেম পত্র আসল তখন আমি মানসিক চাপের ভিতর পড়ে যাই। চিঠিটা পড়ার জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শেষে পুকুর পাড়কেই আমার সব চাইতে নিরাপদ মনে হল। আমি চলে গেলাম পুকুর পাড়ে। সেখানে একটা আম গাছ ছিল। আমি আরাম করে বসে চিঠিটা খুললাম। কি ছিল না সেই চিঠিতে। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সব কিছুর নিখুঁত বর্ণনা। চিঠিটা পড়া শেষ করে আমি আবিষ্কার করলাম যে আমি আম গাছটি জড়িয়ে ধরে আছি। দেখলাম এই অবস্থায় আর বাড়ি যাওয়া যায় না। তাই পাশের পুকুরে লাফ দিলাম। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার একটা ব্যাপার আছে না!!!
(তারপর সেই চোখ টিপ...)
মূখতার আহমেদ -
তোমরা যখন বিয়ে করবে, তখন তোমাদের বউ-এর সাথে এটা করবে , ওটা করবে আর সেটা তো করবেই .......
কোন এক ছাত্র-
স্যার সেটা কি ??
মূখতার আহমেদ -
তুমি যখন বিয়ে করবে, তোমার বউকে আমার কাছে নিয়ে এসো , আমি দেখিয়ে দেব...
আবুল হাসানকে পেলে প্রথমে জড়িয়ে ধরতাম, তারপর চুমু খেতাম, এরপর একদম সর্বনাশ করে ছেড়ে দিতাম!!
পদ্মানদী, কেমন ছিল সেই পদ্মানদীর আবহাওয়া??? কি কি হত সেই আবহাওয়ার ফলে, তারই বর্ণনায় স্যার:
"যখন পদ্মায় বাতাস উঠত, তখন কাপড়চোপড় আলুথালু হয়ে যেত। সেই বাতাসে ‘ওটা’ দুলতো। :-& প্রচণ্ড বাতাসে কাপড় সরে গিয়ে ‘এটা ওটা’ বেরিয়ে পড়ত।"
তারপর যে স্যার এর সেই ঐতিহাসিক চোখটিপ
আমি ছিলাম* GROUP 2 তে । মুখতার স্যার যেদিন প্রথম আমাদের ক্লাসে আসলেন সেদিন আমাকে ডেকে বলেন " আমার পাছার নিচের ফোম টা ঠিক মতো সেট করে আমার পাছাটা বসিয়ে দে ।" কিন্তু আমি ঠিকমতো পারছিলাম না । তাই রাগের মাথায় তিনি বললেন " আরে হারামজাদা আরাম পাচ্ছি না তো , আরো সামনে ঠেল , আমার পাছাটা কোথায় , আর তুই ঠেলছিস কোথায় ।"
অপরাহ্ণের গল্পের ক্লাস। অতি উৎসাহী এক ছাত্রের জিজ্ঞাসা, “স্যার, বোর্ড পরীক্ষায় যদি অপরাহ্নের গল্প থেকে প্রশ্ন আসে আর আমরা যদি সব ডিটেলস্ লিখি আর খাতা যদি কোন ম্যাডামের কাছে যেয়ে পড়ে তাহলে কি আমরা নম্বর পাব?”
স্যার এর অকপট উত্তর, "আশ্চর্য!!! এ তো পুরোই অবান্তর প্রশ্ন। ম্যাডামের কি ওটা নেই??? ম্যাডাম কি ওসব বুঝে না???? ম্যাডাম কি কিছু করে না???না, না, এ তো পুরোই অবান্তর প্রশ্ন।"
তসলিমা নাসরিনকে পেলে মুখতার স্যার বলতেন, তুই কি দিয়ে কী করবি? চাবি তো আমার কাছে।
হৈমন্তি যে আত্মহত্যা করেছিল এটা রবীন্দ্রনাথ না বললেও সহজেই বোঝা যায়। সবাই হয়ত এটাকে যৌতুকের বলি হিসাবে দেখবে। কিন্তু কিছু ভিন্ন ব্যাপার কিন্তু একটু লক্ষ্য করা যায়। অপু হৈমন্তিকে উদাস নয়নে দুপুরে মল্লিকদের বাগানের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেছে, তার চোখ দুটি হয়ত কাউকে খুজছিল। রাতে ছাদে খোলা চুলে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। কলকতার বাড়িগুলো খুবই কনজেসটেড, এক ছাদ থেকে আর একটাতে সহজেই যাওয়া যায়। হয়ত রাতে মল্লিকের আসার কথা ছিল। এখানে লক্ষনীয় ব্যাপারটি হচ্ছে অপু কিন্তু হৈমন্তি কে ভালবাসত। তবে কি মল্লিকের প্রতারণাই তার এই পরিনতির কারন।
বিলাসী গল্পের ক্লাস চলাকালে অতীব জরুরী প্রাথমিক চিকিৎসা (!) সম্পর্কে স্যার এর বক্তব্য-
“যদি সাপে কামড়ায়, সামনে যা পাবি তা দিয়েই কাটা জায়গায় বাঁধবি, যদি কিছুই না পাস তবে মেয়েটির কাপড় ছিঁড়ে, ব্রা বের করে তা দিয়েই বাঁধবি…..মেয়েদের ইজ্জত বড় না, জীবন বড়!!!!”
বিলাসী কে যখন সকলে গ্রাম ছাড়া করতে এল তখন সেই দলে ন্যাড়াও ছিল। কেউ বা তার দুটি পা ধরল, কেউ বা হাত ধরল, কেউ চুল, কেউ দুটি কান। বাকি যাহারা রহিল তাহারাও নিশেষ্ট রহিল না। বাকি কে কি ধরছিল তা বলতে সয়ং শরত্চন্দ্র লজ্জা পেয়েছেন। আমি এখন তোমাদের বলে দিচ্ছি কে কি ধরেছিল। কেউবা এখানে একটু চিমটি কাটল, কেউবা ওখানে একটু দলে দিল, কেউবা ফাঁক পেয়ে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিল।
'বিলাসী' পড়ানোর সময়ে মুখতার স্যারঃ
"আমি এই বয়সে ভালবাসার প্রচণ্ড আবেগে আমগাছ জড়িয়ে ধরে ঘষাঘষি করেছি, যৌবন বলে কথা, ওটিকে তো পানিতে ভেসে যেতে দেয়া যায় না!!"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

