সকাল বেলা এক বৃদ্ধ সর্দারজী সাইকেল চেপে কাঁধে একটা ঝোলা নিয়ে ভারতপাক সীমান্তে এসেছেন পাকিস্থানে ঢুকবেন বলে।
সীমান্ত রক্ষীঃ আপনার ঝোলায় কি আছে?
সর্দারঃ শ্রেফ বালি।
সীমান্ত রক্ষীঃ শ্রেফ বালি?
সীমান্তরক্ষী কিছুতেই বিশ্বাস করে না। সে বস্তা খুলে দেখে সত্যি বালি। ভাল করে হাতড়ে দেখল সব তো বালি। এবার কিছু বালি নিয়ে লাহোরে পাঠানো হল পরীক্ষা করতে। আট ঘন্টা পরীক্ষা পরে ফলাফল এল তাতে বালিই ছিল।
সীমান্ত রক্ষীঃ ঠিক আছে যান।
পরদিন আবার সাইকেল চেপে সর্দারজী হাজির। কাঁধে আরেকটা ঝোলা। বর্ডার গেট এ সেই সীমান্ত রক্ষী তাকে থামাল।
সীমান্ত রক্ষীঃ কি আছে ঝোলাতে?
সর্দারঃ বালি।
এবারো তার সন্দেহ হল, এবারো সে আবার লাহোর পাঠাল কিছু স্যাম্পাল আর তাতেও আগের মত রিপোর্ট আসল বালি।
এভাবে সর্দারজী প্রতিদিন আসে সাইকেলে চেপে বালি নিয়ে আর সীমান্তরক্ষী প্রতিদিন আটকায় আর পরীক্ষা করে ছেড়ে দেয়। এভাবে দিন গেল মাস গেল বছর গেল বছরের পর বছরও গেল কিন্তু এই একই ঘটণা ঘটতেই লাগল। একদিন সীমান্ত রক্ষীর রিটায়ারের দিন এল, কিন্তু সর্দারজী ঐ দিন আর আসেন না। কি ব্যাপার আজ হলো কি ওই লোকের। যাই হোক সীমান্ত রক্ষী লাহোরে গেলেন তার অফিসিয়াল রিটায়ারমেন্ট নিতে। লাহোর পৌঁছে দেখেন এক চা দোকানে সর্দারজী চা খাচ্ছে।
রক্ষী গয়ে সর্দারজীকে বলল
সীমান্ত রক্ষীঃ আমি জানি আপনি বালির মধ্যে লুকিয়ে কিছু একটা জিনিস পাচার করতেন। কিন্তু কোনমতেই আমি তা ধরতে পারতাম না। আমি ডিউটি শেষে বাসায় ফিরে রাতে ঘুমাতে পারতাম না। শুধু ভাবতাম কি পাচার করতেন আপনি। আপনি কি মেহেরবানী করে আমাকে বলবেন - আপনি বালিতে কি পাচার করতেন; আমি আজ রিটায়ার করে ফেলেছি, কোন অভিযোগ আনবোনা আপনার বিরুদ্ধে কসম। আপনি বলেন ঐ বালিতে কী লুকানো থাকতো?
সর্দারজী রক্ষীর জন্য এককাপ চায়ের অর্ডার দিয়ে বললেন।
এরপর বললেন।
সর্দারঃ বেটা। হামি পাচার করতাম সত্য। কিন্তু ওটা বালি না-------- সাইকেল। হো হো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



