একটা শিশু যখন ভুমিষ্ট হয়, সে থাকে সম্পূর্ন নিষ্পাপ, কলুষমুক্ত। ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠার সাথে সাথে তার মাঝে ভাল বা খারাপ গুনগুলোর সমাবেশ ঘটতে থাকে। তার মানবিক বিকাশ কোন ধারায় ঘটবে, সেটা নির্ভর করে তার পরিবেশ এবং শিক্ষার উপর। আমাদের উচিৎ তাদের মানুষ হতে, সু-নাগরিক হতে সাহায্য করা। তাদের শেখানো দরকার কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়। এটাও শেখানো উচিৎ, কেউ অন্যায় করলে তার প্রতিবাদ করতে হবে, তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যাবেনা। হিংসা বিদ্বেষ তাদের মনে কিছুতেই ছড়ানো উচিৎ না। এমনিতে হিংসা বিদ্বেষের কারনে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়েছি। বৃটিশদের কাছ থেকে ভাল কিছু শিখতে না পারলেও তাদের দুইশ বছরের শাষনামলে আমাদের মাঝে একটা বদ অভ্যাস ভালভাবেই মিশে গেছে। সেটা হল আইন না মানার প্রবনতা। সবকিছুতেই, মানিনা, মানবোনা। আইন না মানার এই প্রবনতা আমাদের তাড়াতাড়ি পরিহার করতে হবে। আজ কালের কন্ঠে দেখলাম নারানগন্জের একটা নিউজ। স্কুলের শিশুরা নদী দখলকারীর কুশপুত্তলিকা বানিয়ে সেটাকে আক্রমন করছে। এটা নিশ্চিত যে এই আইডিয়া আমাদের মত বড়দের মাথা থেকেই এসেছে। হয়তো ঐসব স্কুলের সম্মানিত শিক্ষকরা ছাত্রদের এটা শেখাচ্ছেন। কোমলমতি শিশুগুলোকে শেখানো হচ্ছে, তোমরা চাইলেই যে কাউকে লাথি মারতে পার, আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পার। আমরা, বড়রাই ওদের সন্ত্রাসী বানাচ্ছি। এদেশের অতীত বর্তমানতো গেছেই, ভবিষ্যতও ছারাখার করছি আমরা।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


