নিকষ অন্ধকারে আলোর হাতছানী কিংবা
মনের দুয়ারে একটু আশা-
এই তো মানুষের বেঁচে থাকা।
আলো ! আলো কোথায়? ঐ দূরে একবিন্দু আলোকরশ্মি।
কাছে যাবার দৃঢ় প্রত্যয়ে গতির সঞ্চার করাই জীবন।
কাছে যেয়ে হয়তো পাওয়া যাবে না কিছুই,
হয়তো তা ছিলো কেবলই চোখের ভুল!
কিন্তু তা পথিকের চোখের ভ্রান্তি নয়,
তা আলো ছিলো সত্যই- চলমান আলো।
জোনাকী - একটি ছোট্ট পতঙ্গ, পথিকের পথের ক্লান্তি মেটায়,
তাকে আশা দেখিয়ে পথ চলবার গতিকে বাড়ায়।
পতঙ্গ বলে হয়েছে কি? জোনাকীরও আলো আছে,
তাকে কুক্ষিগত করতে পারলে আলো ঠিকই পাওয়া যাবে,
সে আলো যতই স্বল্প-সুক্ষ হোক না কেন!
আশার পথে চেয়ে মানুষ তার জীবন তরী বয়ে চলে দূরে,
কিন্তু সম্ভাবনা আর প্রাপ্তি এক নয়,
অনেক সময়ই সম্ভাবনাকে প্রাপ্তিতে পরিণত করা তো ছাড়
কাছেই নিয়ে যাওয়া যায় না- অপ্রাপ্তিই হয়ে থাকে।
ঐ সম্ভাবনার তাগিদেই জীবন এগিয়ে চলে।
এ জীবনে হয়তো অনেক কিছুই পাওয়া যাবে না,
কিন্তু প্রাপ্তির ক্ষীণ আশায় জীবন এগিয়ে নেয়াই
মানব জীবনের পরম পাথেয়- এলোকে নয়তো পরলোকে।
সহস্র-কোটী আঁধারের চাদরে একবিন্দু আলোই যথেষ্ট-
জীবনকে গতি দেয়ায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




