মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কাস্টোমার কেয়ার সেন্টারের পাশাপাশি রাস্তার আশে-পাশে অনেক ফোন ফ্লেক্সিলোড/ ব্যালেন্স রিজার্জের দোকানে, ফুটপাথ/রাস্তায় ছাতা নিয়ে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী সিম রি-রেজিস্ট্রেশন বা পুন:নিবন্ধন করছেন। মোবাইল সিম রি-রেজিস্ট্রেশন এ অনেক ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। যতদূর জানি সিম রি-রেজিস্ট্রেশন একটি বিনামূল্যে করণীয় নির্দেশ। কিন্তু রাস্তা-ঘাটে সিম প্রতি ২০ টাকার মত গ্রাহকের কাছ থেকে রাখা হচ্ছে। এটা কেন? অনেকে বলবেন তারা কাজ করছে বিনিময়ে টাকা নিচ্ছে। কিন্তু আমার জানামতে টার্গেট ভিত্তিতে প্রত্যেক দোকানদার বা সিম পুন:নিবন্ধনের সাথে যুক্ত ব্যাক্তিরা টাকা পাচ্ছে সংশ্লিষ্ট অপারেটর থেকে। কিন্তু কাস্টমার কেয়ারের বাইরে এই হারে টাকা নেয়া কেন?
I think Money Matters and why should I give it away to someone while he's already getting a benefit from doing that.
চাকুরিজীবি লোকজন সময়ের অভাবে কাস্টোমার কেয়ার সেন্টারে যাওয়ার সময় পান না। কেননা, অধিকাংশ কাস্টোমার কেয়ার সেন্টার ১০-৫ টা খোলা থাকে। যার ফলে কোন কাস্টামার কেয়ারের সেবা পাওয়া অনেকটা দুরহ ব্যপার। সরকারি চাকুরিজীবি ও ব্যাংকারগণ তাও শনিবার পান, কিন্তু অন্যান্য বেসরকারি চাকুরিজীবিদের জন্য কাস্টামার কেয়ারের সেবা পাওয়া অনেকটা অমাবশ্যার চাঁদ দেখার সঙ্গে তুলনীয়।দেশে অনেক অশিক্ষিত/অসচেতন লোক আছেন, যারা নিজস্ব এলাকার কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের অবস্থান জানেনা না। তাই এইসব স্থানীয় দোকান বা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট থেকে সিম পুন:নিবন্ধন করতে যেয়ে সিম প্রতি ২০ টাকা করে অযথা খরচ করতে হচ্ছে।
আরেকটা বিষয় খেয়াল করলাম, অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিম নিবন্ধনের ফরম এ শুধু ছবি আর জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এটে আর মোবাইল নাম্বার লিখে এবং গ্রাহকের স্বাক্ষর রেখে দেয়া হচ্ছে। গ্রাহককে না দেয়া হচ্ছে কোন valied copy, যা অনেকাংশে এ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
আমি মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশনের পক্ষে। কিন্তু আমি মনে করি সরকারের উচিৎ ছিল, আরেকটু সময় দিয়ে, আরেকটু নিরাপত্তার স্বার্থে শুধুমাত্র মোবাইল কোম্পানির গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে সিম পুন:নিবন্ধনের কাজ করতে দেয়া। আশা করি জনগণ সচেতন হবেন।
ভয়ের বিষয় হচ্ছে - যা বাংলাদেশের ফুটপাথে একবার নামে তার মর্যাদা কতখানি থাকে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



