আর একটি ব্লগ হলেই তালুকদার দ্্বিরাঙ্কের বন্ধন পেরিয়ে পা রাখবেন তিনাঙ্কের ফাঁকা মাঠে, যেখানে কেবল আড্ডাবাজ, হীরক লস্কর, অপবাক, শোমচৌ আর শুভরবিচরণ।
এই শুভ লগ্নে তালুকদারকে জানাই আগাম অভিনন্দন। তবে তাঁর বেশির ভাগ ব্লগ পড়েই বিরক্ত হয়েছি। প্রশ্ন রাখতে পারেন, বিরক্তি লাগলে কেন পড়ি। পড়ি এই কৌতূহলে যে লিখে লিখে তালুকদারের ব্লগের ধার বাড়লো কি না। সময়ের সাথে ভারে বাড়লেও তাঁর ধার থেকেছে সেই প্রথম ব্লগের মতোই, আশ্চর্য রকমের ভোঁতা। অনেকে তাঁর বিরূদ্ধে "পারায়া মাল আপনা"-র অভিযোগ এনেছেন, তালুকদার তেমন একটা প্রতিবাদও করেননি। ভীমরুলের ফালতু সামগ্রীই তিনি এখানে তুলে দিয়েছেন বলে অনেকের বিশ্বাস, তার প্রতিবাদও তেমন একটা পাইনি আমরা। তবে মাঝে মাঝে মৃদুমন্দ ভালো আবহাওয়া পেয়েছি তাঁর লেখায়, একটু আশাবাদী হয়ে উঠতে না উঠতেই আবার সেই জাকিরুলতায় ফিরে গেছেন তিনি।
ক্ষমা চাইবো না তাঁর কাছে, তাঁর লেখায় বিভিন্ন অপ্রীতিকর মন্তব্য করেছি বলে। ওগুলো তাঁর প্রাপ্য, তিনি অর্জন করেছেন ওসব মন্তব্যের হুল। ভবিষ্যতে বাজে পোস্ট করা চালিয়ে গেলে আবারও মুখফোড়ানন্দ ও মুখফোড়েন্দ্রনাথ বর্গী হানা দেবে তাঁর পোস্টে। তবে জাকিরুল বীর, কোন ধারালো সমালোচনা বা নিন্দাসূচক মন্তব্যই তিনি মোচন করেননি। এ এক প্রশংসনীয় ক্রীড়াস্পৃহা। জাকিরুল, অভিনন্দন নিন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



