নওগাঁ'র আবাদপুকুর থেকে রবিকবির স্মৃতিবিজড়িত পতিসর যাওয়ার রাস্তাটির প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যি ছবির মতো সুন্দর, দুধারে মায়াময় গাছেরা পাশাপাশি এমন নিবিড়ভাবে একে অন্যকে জড়াজড়িকরে মাথার উপরে ছাতা (ক্যানোপী-canopy) সৃষ্টি করেছে যে দারুন চৌত্রমাসের দুপুরের দাবদাহের সময়েও পথিক অনায়াসে হেঁটে যেতে পারবে সেই গাছেদের গলাগলিতে নির্মিত প্রাকৃতিক ছাতার সুশীতল ছায়ায়। লিখলাম 'পারবে', কিন্তু সত্যের খাতিরে লেখা উচিত 'পারতো', যদি রাস্তাটা হাঁটার এবং যানবাহনের চলাচলের নুন্যতম উপযুক্ত হতো। নীচের ভিডিওটিতে দেখুন ক্যামেরা কি ভয়াবহভাবে নড়ছে, নড়ছে, কারন রাস্তাটি ভয়াবহ রকমের খানা-খন্দকে ভর্তি। মূহুর্তের অসতর্কতায় পথিক মচকাবেন তার পা, সিএনজি চালাক হারাবেন তার বাহনের নি্য়ন্ত্রণ, নছিমন চালক হয়তো আর কখনোই দেখতে পাবেন না ঘরে অপেক্ষারত প্রিয় নছিমন এবং নছিমনের মা-কে। আমার প্রশ্ন, একই অংগে এ্যাতো রুপ ক্যানে? যে দেশের কর্মকর্তা এবং জনগনের মনে এ্যাতো সুন্দর পরিবেশ ভাবনা কজ করে, গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার সক্ষমতা বাস করে, সেই একই দেশে সড়কের এমন বেহাল দশা মানুষ মেনে নেয় কিভাবে? দেশের জনগণের দৈনন্দিন ভৌত অবকাঠামো নির্মানে ইঁট-বালু-রড-সিমেন্টের লোলুপ অসমানুপাতিকতা দশকের পর দশক ধরে কিভাবে অব্যাহত রাখে একটি যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া দেশের মানুষ?!

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




