লক্ষাধিক প্রতিপক্ষ স্প্যার্মের সাথে লড়ে, যখন একটা স্প্যার্ম অভামের কাঁটাতারের বেড়া পেড়িয়ে ভেতরে ধুঁকে পরে,
তখনই জন্ম হয় মানব ভ্রূণের। এর পরের স্প্যার্ম গুলাকে অবশ্য অভামের বর্ডার গার্ড পুশ ব্যাক করে।
যাই হোক কথা সেইটা না।
আগে যখন কোন ঘড়ে সন্তানসম্ভবা নারী থাকতো, তখন ঘড়ে একটাই উৎকণ্ঠা,
কি হবে? ছেলে না মেয়ে?
চাচায় কিনে ভাতিজীর কাপড়, মামায় কিনে ভাইগ্নার। কথায় আছে না? মামু ভাইগ্না যেখানে আপদ নাই সেখানে।
গেঁদার মায়ে ভাবে পুলার নাম, বাপে কই মাইয়াই অইবো।
মিনা কার্টুনের মতো করে বললে, "পোলাই লাগবো।" এইটাও হয়তো বলে বসবেন, ছেলের বাবা অথবা মা।
কারণ কিছু থাকুক বা নাই থাকুক,
ছেলেদের একটা মোমবাতি থাকে, যা দিয়ে বংশের বাতি জ্বলে :/
মেয়ের মার কিছুই চাওয়ার নাই, মেয়ে সুস্থ থাকলেই আলহামদুলিল্লাহ্।
আর নিজের জীবনের চেয়েও প্রিয় মেয়ের বাবা, চুপচাপ তজবি হাতে।
এইসব বিষয়ে, সিচুয়েশন বুইঝা আমি ২টা কথা বলি।
ছেলে হলে যদি খুব খুশি হয় তাহলে, "ছেলে হোক মেয়ে হোক বদেরহাড্ডি একটাই যথেষ্ট"
আর মেয়ে হয়াতে কেও অখুশি হলে, "ছেলে হোক মেয়ে হোক মোমবাতি একটাই যথেষ্ট"
সকল উৎকণ্ঠার সমাপ্তি ঘটে, যখন নার্স, দাঁতের গ্যালারী খুলে দিয়ে কয়, ****** অইছে।
ওই সময়টাই ভাল ছিল।
এখন আলতা-চুনুর যুগ।
প্রেগ্নেন্সির ১৮-২২ সপ্তাহের মধ্যেই কনফার্ম।
সবাই কাপড় থেকে শুরু করে ......... যা আছে সব কেনা কাঁটা শেষ। :/
আগের সেই আমেজটা আর নাই।
এখনের এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা গুলাও প্রায় এমনই হয়ে গেছে
পরীক্ষা দিয়েই যদি বলে ফেলে, এ+ তাহলে রেজাল্টের কি দরকার??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



