আজ যদিও থমকে গেছে আমার বীণার সুর,
কেমনে আমি নাখোশ থাকি খুশি যখন তোর।
বীণা হাতে সুর উঠাতাম তোরই তো উদ্দেশ,
আজ যদিও নানান সুরে আমি নিরুদ্দেশ।
হিঁয়ার মাঝে এঁকেছিলাম রঙ্গিন কত ছবি,
রক্তবানে আজ কি তবে ঝাপসা হবে সবি।
প্রশ্ন জাগে দিনগুলো সেই ছিল কিনা ভুল,
স্বপ্নগুলো থমকে গেল-সব হল ভন্ডুল।
দোষ দেইনা তোকে আমি আমিই ছিলাম বোকা,
সুর উঠেনা তাই কি বীণে ভাবি বসে একা।
হৃদয় যখন রক্ত ঝরায় চোখ কি থাকে বাকী,
স্বপ্নগুলো যায় উড়ে যায় জীবন যেন ফাঁকি।
তুই শুধালি আমায় যেদিন আর কত দিন পর,
বেকারত্ব-টা পার হয়ে তোর হবে যে ঘর?
আর কতদিন বলব ঘরে চিন্তা করে দেখি,
এমন তেমন ভাল লাগেনা বলে দেব ফাঁকি?
আর পারিনা ঘরের চাপে এবার মুক্তি চাই,
তোর সাথে এই জীবন বাঁধা এই কপালে নাই।
আমার কিইবা বলার ছিল বিদায় বলা ছাড়া,
সুখের স্বপন কেমনে দেখাই আমি ছন্নছাড়া।
ছয় বছরের স্বপ্নমুখর স্মৃতি হল বলি,
রিক্ত আমায় গাছতলাতে রেখে চলে গেলি।
সেই থেকে আর বাজেনা তো আমার গানের সুর,
বুঝে গেলাম জীবন নামের পথটা যে বন্ধুর।
রঙ্গিন খামটি যেদিন দিলি নামটি আমার লিখে,
বুঝলিনা তুই আমার হাসি আজ কতটা ফিকে।
দুঃখটুকু পাশে ঠেলে আবার নিলাম বীণ,
গাইব আমি পরাণ খুলে তোর হলুদের দিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



