
আয়নায় তুমি আর আমার বিচরণ তোমাতে
দেখি-
তোমার স্বচ্ছ চোখ, নত হাসি মুখে
আমাকে জরিপ করে, তীরন্দাজ ভুরু
টেক্যুলার স্বাদ ও লবণ স্বেদ মিশে অদ্ভুত
নিটোল সুন্দর লাগছে তোমার নারী মুখ!
মনে হচ্ছে, এ দেখাতেই আমি______
চোখ বন্ধ করে কফিনে কাটিয়ে দিতে পারবো দৃশ্যান্তর।
সাতশ বছর আগের আরেক শহর-
দেয়ালে দেখি তোমার ছায়া-
নেপথ্যে দেবদারু অন্ধকার।
যে প্রেম আমার রক্তে টেনে নেয় উৎসমুখে!
কল্পনা রঙিন, তোমারও স্বাগতম, এসো!
এক গাছের হৃদপিণ্ডে ঠাঁই গেড়ে একদিন
তোমাকে ভেবে লুখিয়ে রেখেছিলাম গোলাপ পাপড়ির ভাঁজে;
সমাদর আপ্যায়ন মজুত রেখেছিও আমি!
আজ মনে হচ্ছে সেই বিমূর্ত শিলার বুক চিরে
গোলাপটা ফুটেই গিয়েছে আমার!
অতএব যখন রয়েছে দেহে ঢলো ঢলো যৌবন মদির
সোনালী রূপালী রঙ ত্বক ছোঁয় ভোরের শিশির
যখন তোমার প্রাণ কোষের প্রতিটি রন্ধ্র ধরে
জাগ্রত কামনায় প্রতি মুহূর্তকে তোলে ভরে
এই তো মাহেন্দ্রসময়, দু’জনেই ভালোবাসা গড়ি
বিশ্ব জানিয়া রাখুক প্রেমবিদ্ধ আমরা দুই শুক ও সারী।
সময় খাবে তো খাক, দুঃখ নেই, সেই ঢের ভালো;
তিলে তিলে অগস্ত্য যাত্রার কোনো মানে আছে বলো?
চলো তবে আমাদের যা কিছু আছে সুন্দর শার্দূল
মিলে মিশে একাকার ব্রাহ্মণ্ডে গড়িয়ে যাবো গোলক বর্তুল।
লৌহ দরজা খুলে জীবনের পথচলা করেছি স্থির
কঠিন আঘাত হেনে চূর্ণ বিচূর্ণ করবো আনন্দ শরীর,
যদিও সাধ্যি নেই সূর্যকে থামিয়ে দেউ দূরের আকাশে,
নিশ্চয় ঘোরাতে পারি আমাদের গ্রহপথে, সেটা কম কীসে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



