বেসামরিক প্রশাসনকে ই-গর্ভারনেন্সের আওতায় আনা এবং সরকারি প্রশাসনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট নেটওয়ার্কিং ব্যাকবোন অ্যান্ড হার্ডওয়ার্কিং (বিএসএনবিএইচ) নামে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় 45 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও) এবং পরিকল্পনা কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশের 45টি মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির (এসআইসিটি) সাহায্যে সম্পন্ন হবে। প্রধান সেক্রেটারি ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকীর তদারকিতে এ প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এই নেটওয়ার্কের সাহায্যে টেবিলে বসেই মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মকর্তারা পিএমও এবং পরিকল্পনা কমিশন পরস্পরের সঙ্গে অফিসিয়াল ডাটা এবং তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন। এই নতুন সিস্টেম ফাইল চালাচালির পুরনো রীতিনীতি একেবারে পাল্টে দেবে। ফাইল আদান প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, অফিসিয়াল কেরানি এবং এমএলএসএসদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যাবে। অনলাইন নথিপত্র স্বাক্ষর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, আমলা এবং অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের কথা ভাবা হচ্ছে। এজন্য একটি আলাদা আইন পাসের ভাবনাও চলছে প্রশাসনে। পুরো প্রকল্পটির কারিগরি দিকটি দেখছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ। তারা প্রকল্পটির পরিকল্পনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সচিবালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং পিএম-এর অফিস এক বছর ধরে জরিপ করছে। এরই মধ্যে বুয়েট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পুরো পরিকল্পনা জাতীয় টাস্কফোর্সের কার্যকরী কমিটির চেয়ারম্যান ড. কামালউদ্দীন সিদ্দিকের কাছে পেশ করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০০৬ রাত ৮:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




