somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শহরের মোহ কাটাচ্ছে ব্রিটিশরা

২৭ শে জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গ্রামে ফিরে চলো নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে উঠছে ব্রিটিশরা। শহুরে জীবনের ব্যস্ততা আর বিষণ্নতাকে পাশ কাটিয়ে গ্রামে ফিরছে তারা। বিশ্বব্যাপী নগরায়নের প্রবণতা যেভাবে উত্তরোত্তর বাড়ছে সেখানে ব্রিটিশরা খুঁজছে শান্তির গ্রামকে। গত বছরের পরিসংখ্যান অন্তত তাই বলে। এ সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ ব্রিটিশ নগর জীবনকে গুডবাই জানিয়েছে। শুধু তাই নয় শহরের পেশাকে পর্যন্ত তারা জলাঞ্জলি দিয়েছে। আর অনেকেই বেছে নিয়েছে আদি পেশা কৃষিকাজ। তাদের অনেকেই নতুন এ জীবনে পূর্বের চেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।
নগর আপনাকে বিষণ্ন করার জন্য শত আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছে। উড়োজাহাজ, মোবাইল ফোন, দ্য ডা ভিঞ্চি কোড, আরো কতো কি। সব মিলিয়ে একটি জঞ্জালের বোঝা আপনাকে ভারাক্রান্ত করার জন্য সদা প্রস'ত। বলছিলেন 2005 সালে লন্ডন ছেড়ে গ্রামে বসবাসকারী জনাথন আম্ব্রোভিজ। তিনি আরো বলেন, এখন প্রতিটি দিন কাটে আমার প্রকৃতির সানি্নধ্যে কাটে। নতুন জীবনে আমি সুখী। জনাথনের কথাকে প্রমাণ করেছে দেশটির কর্মবুরোও। গত বছর দেশটিতে প্রায় এক কোটি ত্রিশ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়েছে কর্মীদের বিষণ্নতার কারণে। গত বছর ব্রিটেনের প্রায় 14 লাখ মানুষ কর্মব্যস্ত জীবনের ওপর বিরক্ত হয়ে পেশা পরিবর্তন করেছেন বলেও জানা গেছে। তবে সাধারণ ব্রিটিশদের গ্রামে ফিরে যাওয়াকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। গ্রামে যারা ফিরে গেছেন তাদের জন্য ন্যাশনাল উইক অব ডাউন শিফটিং পালন করছে কতর্ৃপক্ষ। তাদের এবারের স্লোগান ছিল একটি প্রশান্তিময় জীবনে স্বাগতম।
42 বছর বয়সী নাতালি হাল বলছিলেন, এখানে আমি কাজ করতে বাধ্য নই। ইচ্ছে হলে করি না হলে করি না। কিন' যখন লন্ডনের ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম তখন আমাকে ক্রিসমাসেও কাজ করতে হয়েছে। মোদ্দাকথা একটি জীবন্ত যন্ত্রে পরিণত হয়েছিলাম আমি। তার ওয়েস্ট কাউন্টির বাস ভবনটিতে তিনে এখন শতভাগ স্বাধীন একজন মানুষ। একই রকম স্বাধীনতা ভোগ করছেন ল্যান্ডস্কেপ গার্ডেনার জুলিয়ান ইয়েটস। তিনি তার নিজের খামারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমের চেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তিনি স্পষ্টই বলেন, শহরে কাজের মধ্যে কোনো প্রশান্তি নেই। আর আমি এখন নিজেই আমার বস। পাব কিংবা বারের রাতের জীবন অনুভব করেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বিবিসিকে বলেন, আমি আমার প্রয়োজনের সবই এখানে পাই। তাছাড়া আমি ভালো থাকার জন্য এতোটুকু ত্যাগ করতে পারি। কেননা আমি মনে করি শহরে আমি একটি ভালো গাড়ি হাকাতে পারি সেটা হয়তো আমাকে ক্ষণিকের জন্য প্রশান্তি দেবে। কিন' রাস্তায় গাড়িটিতে কেউ দাগ দিয়ে দিলে আমার কষ্টের আর অন্ত থাকবে না। বর্তমান সাধারণ জীবনেই তিনি সুখী বলে বিবিসি প্রতিবেদককে বলেন। সূত্র: বিবিসি
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×