বাংলা সংস্কৃতির অঙ্গ বাংলা গানের ঐতিহ্যের উষ্ণতার ভাণ্ডার এতোই সমৃদ্ধ যে বিদেশী অপসংস্কৃতির আগ্রাসন তার ওপর কোনো প্রভাব বিসত্দার করতে পারে না। অবশ্য এ কথা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই! বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলা গানের ওপর দিয়ে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ভাবধারায় যে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তাতে বাংলা গানের উষ্ণতার আগুন নিভে না গেলেও নিঃসন্দেহে কিছুটা ছাইচাপা পড়েছে বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে গানের জগতে অকস্মাৎ পরিবর্তনের হাওয়া বাংলা গানের ভবিষ্যৎকে এক সংশয়ের নিবিড় কুয়াশার ভিতর দিয়ে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং বাংলা গান তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তাকে কিছুটা হারিয়ে কালের স্রোতে ধাবিত হয়েছে সুদূর পানে, এক অনিশ্চিত গনত্দব্যস্থল।
আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনে জড়িত বিশেষ করে গানের ক্ষেত্রে গীতিকার, সুরকার, শিল্পী ও অন্য কলাকুশলীদের অনেকেই স্বার্থের গভীর এক অদৃশ্য মাদকতায় নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন বাংলা গানের সঙ্গে। ব্যভিচারী নিন্দুকের তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে বরাবর বিদ্ধ করেছেন বাংলা গানের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, সুর, ছন্দ ও ঐতিহ্যকে। ফলে বাংলা গানের জন্য কিছু কিছু সময় ছিল অত্যনত্দ দুঃসময়। রাহুগ্রাস চাঁদ যেমন সগৌরবে ফিরে আসে তেমনি বাংলা গানের সীমাহীন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে মিথ্যা সাজানো শপথ ভেঙে দিয়ে শ্রোতাদের জন্য নতুন করে বিছিয়ে দিয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক মীর হাসান স্বপ্ন, তার সঙ্গীতে তারুণ্যময় কণ্ঠশিল্পী শহিদ ডাকুয়ার দুটি নতুন গানের অ্যালবাম 'ভোরের সূর্যাসত্দ' ও 'জনক জননেত্রী জয়' বাজারে এসেছে। সঙ্গীত প্রেম-ভালোবাসা শাশ্বত ইতিহাস আর প্রজন্মের অরাজনৈতিক চেতনার প্রত্যয় ও ইতিহাস নির্ভর অ্যালবাম যা দর্শকদের মনকে নাড়া দেবে সে রকম সত্যি ইতিহাস বেরিয়ে আসবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



