somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরি না পেয়ে সাংবাদিকতায় থেকে যান বাসসের আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

২০ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

1968 সালে নবম শ্রেণীতে পড়ার সময়েই ঠিক করেছিলাম বড় হয়ে হয় সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরি করবো নয় সাংবাদিক হবো। '77 সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াকালে একদিন জানতে পারি দৈনিক সংগ্রাম নামে নতুন একটি পত্রিকা বের হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। দুর্বলতার কারণে নিজ উদ্যোগে সংগ্রাম অফিসে যোগাযোগ করলাম। তখন এ পদের জন্য আরো অনেকে আবেদন করেছিল। কিন' পরীক্ষার পর সংগ্রামের তৎকালীন সম্পাদক অধ্যাপক আখতার ফারুক আমাকেই নিয়োগ দেন। নিজের সাংবাদিকতায় আসার সূচনার কথা এভাবেই তুলে ধরলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চিফ রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি বলেন, তখন পারিশ্রমিক পেতাম মাত্র 2শ টাকা। যথারীতি তখন শুধু বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সংবাদ সংগ্রহ ও পারদর্শিতার কারণে '78 সালে সংগ্রামের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পাই। তখন ওয়েজবোর্ডের রোয়েদাদ অনুযায়ী বেতন হলো 710 টাকা। মূলত ওই সময় থেকেই বহুমাত্রিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ি। সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরি না পেয়ে সাংবাদিক হলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস)-এর চিফ রিপোর্টার আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। সম্প্রতি আমাদের সময়ের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় সাংবাদিকতা অঙ্গনে প্রবেশ সম্পর্কে তিনি এ কথা বলেন। জনাব মঞ্জু জানান, সংগ্রামে সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিমান ও সেনাবাহিনীতে দুবার পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন' দুর্ভাগ্যক্রমে চাকরিতে যোগ দিতে পারিনি। তবে সাংবাদিকতাও ছাড়িনি। সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে না পেরে অবশেষে আরো জোরালোভাবে অাঁকড়ে ধরি সাংবাদিকতাকে। পেশাগত জীবনে সাফল্যের কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামের সম্পাদকসহ অন্য সিনিয়র সাংবাদিকরা আমাকে প্রতিনিয়ত সহযোগিতা করতেন। তারা আমাকে সহজ কাজগুলো করতে দিতেন, যাতে পড়াশুনায় কোনো সমস্যা না হয়। তাদের মধ্যে সম্পাদক আখতার ফারুক, হাসানুল করিম, মোহাম্মদ হোসেন উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, সে সময়ে সিনিয়ররা চাইতেন নতুন সাংবাদিক সৃষ্টি হোক এবং নতুন প্রজন্ম এ পেশাকে অাঁকড়ে ধরুক। এ জন্য তারা নতুনদের নানাভাবে উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা দিতেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু 1954 সালে শেরপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি '88 সালে রয়টার্সের প্রথম ফেলোশিপ, '92 সালে পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ অর্জন করেন। তার 30টিরও বেশি অনুবাদ সাহিত্য রয়েছে। এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার ওপর কয়েক মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সৌজন্যে ঃ আমাদের সময়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×