প্রশ্নঃ রসূল (স
রাসূল (সঃ) এর আন্দোলনের মক্কী স্তর সমূহ ঃ রাসুল (সঃ) এর মক্কী জীবনের স্তর সমুহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় ঃ
প্রথম পর্যায় ঃ
নবুয়্যত লাভ হতে নবুয়্যতের প্রকাশ প্রচার ও ঘোষনা করা পর্যন্ত প্রায় 3 বছর কাল। এই সময় খুব গোপনে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তির নিকট ইসলামের দাওয়াত পেশ করা হতো।
দ্বিতীয় পর্যায় ঃ
প্রকাশ্যে দাওয়াত - নবুয়্যতের ঘোষনা হতে অত্যাচার নির্যাতন ও উৎপীড়ন শুরু হওয়া পর্যন্ত প্রায় 2 বছর। এই পর্যায়ে প্রথমত বিরুদ্ধতা শুরু হয়, পরে ইহা প্রতিবন্ধকতার রূপ পরিগ্রহ করে, ক্রমান্বয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ, মিথ্যা অপবাদ আরোপ, গালাগালি, ভর্ৎসনা, মিথ্যা প্রচারনাও বিরুদ্ধ দল গঠন পর্যন্ত পর্যবসিত হয়।
তৃতীয় পর্যায় ঃ
তৃতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতনকাল-5 বছর। অত্যাচার নিপীড়ন শুরু হওয়ার সময় হতে আবু তালিব ও হযরত খাদিজা (রাঃ) এর ইন্তেকালের সময় পর্যন্ত ইহার ব্যপ্তি। এই সময় বিরুদ্ধতা অত্যন্ত তীব্র আকার ধারণ করে। বহু সংখ্যক মুসলমান মক্কায় কাফিরদের জুলুম নিপীড়নে অতিষ্ট হয়ে হাফসার দিকে হিজরত করে। বনী হাসিমের লোকজন শেবে আবু তালিব নামক উপত্যাকায় কঠোর বন্দী দশায় জীবন যাপন করেন। চতুর্থ পর্যায় ঃ
মক্কী যুগের শেষ তিন বছর চরম বিরোধিতা, নিষ্ঠুর নির্যাতন এমনকি রসুল (সঃ) কে হত্যার চেষ্টা চলে। এ সময়টি নবী করীম (সঃ) এবং তাঁর সঙ্গী সাথীদের জন্য অতিশয় দুঃখ কষ্ট ও বিপদের সময়। মক্কায় হযরত নবী করীম (সঃ) এর জীবন অত্যন্ত দুঃসহ হয়ে উঠে। তিনি তায়েফ গমন করেন। কিন্তু সেখানেও কোন আশ্রয় পাননি। মক্কাবাসীরা পরামর্শ করতে লাগল যে, নবী করীম (সঃ) কে হত্যা করা হবে কিংবা বন্দী করা হবে অথবা বহিস্কার করা হবে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ মদীনার আনসারদের মন ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করলেন এবং তাদেরই আহবানে নবী পাক (সঃ) মদীনায় হিযরত করলেন।
সূরা তওবার ভাষণ সমূহঃ
এই সুরায় তিনটি ভাষণ রয়েছে। প্রথম ভাষণটি সূরার প্রথম থেকে শুরু হয়ে পঞ্চম রুক'ুর শেষ অবধি চলেছে । এর নাযিলের সময় হচ্ছে নবম হিজরীর যিলক্বদ মাস বা তার কাছাকাছি সময়ে। নবী (স
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০০৬ বিকাল ৪:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



