somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বজুড়ে জঙ্গিআতঙ্ক

১৫ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টেলিভিশন অন করে নিউজ দেখতে গেলেই শুধু জঙ্গি হামলা আর জঙ্গি হামলা!!
যখন কোন নিউজ দেখি তখন মনে হয় যে সারা বিশ্ব জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে!!
আজকে এখানে হামলা,কালকে ওইখানে।
আসলে তারা কি চায়?
বিশ্বকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে না ইসলাম কায়েম করতে?
এদিকে কতিপয় কিছু উগ্রবাদী মুসলিম তথাকথিত জঙ্গিদের জন্য পুরো মুসলিম জাতিকে সন্ত্রাস বলে অ্যাখ্যয়িত করছে বিশ্ব!!
ইসলাম শান্তির ধর্ম! ইসলামে কোন জঙ্গিবাদের স্থান নাই।
জিহাদ আর সন্ত্রাসী তান্ডব কোনদিন এক না।
কিন্তু কিছু উগ্রবাদী মুসলিমেরা আজ জিহাদ আর সন্ত্রাসকে এক করে ফেলেছে।
সবচেয়ে বড় জিহাদ কি?
সবচেয়ে বড় জিহাদ হলো নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ।
কিন্তু আজকে কতজন আমরা নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ করি?
জিহাদের নামে এইসব উগ্রবাদী মুসলিমেরা সারা বিশ্বে যেসব তান্ডব চালাচ্ছে এটা সত্যিই ভয়ংকর!
আজ কোথায় আমাদের মানবতা?
কোথায় আমাদের বিবেক?
কোথায় আমাদের স্বাধীনতা?
মানবতা,বিবেক,স্বাধীনতা ছাড়া কি ইসলাম নাকি এগুলো নিয়ে ইসলাম?
ইসলাম শান্তির ধর্ম আর আমরা মুসলিমেরা শান্তিতে বিশ্বাস করি।
আসলে ওরা মুসলিম না ওরা মুসলিম নামধারী অমুসলিম!!
কারা এদের দায়ভার পোষণ করে?
আপনারা নিশ্চয় এগুলো জানেন আমাকে বিস্তারিত বলা লাগবে না।
আসলে কাটা দিয়ে কাটা তোলার মত অবস্থা এখন আমাদের মুসলিমদের।
অমুসলিমেরা আমাদের মুসলিমদের নাম ধরে আজ এসব করছে।
এরা আমাদের মুসলমানকে ব্যাবহার করছে।
ইহুদী!!!
আমাদের নবীর সময় থেকে এরা আমাদের, মুসলিমদের শত্রু।
আজ এই জঙ্গিদের অর্থবহন করছে এরাই আর ব্যাবহার করছে মুসলিমদের।
সব ধর্মেই কিছু খারাপ লোক আছে।
তেমনি আমাদের মুসলিম ধর্মেও আছে আর এরাই তাদের কথায় মদদপুস্ত হয়ে এসব নির্মম কাজ করছে।
আর তার সব দায়ভার আসছে আমাদের উপর!!
পুরো মুসলিম জাতির উপর।
আপনারা নিশ্চয় জানেন সিরিয়া,আফগানিস্তানে সন্ত্রাস নিধনের নামে তারা নির্মমভাবে মুসলিম নিধন করছে।
এমন সময় কেউ মানবধিকারের কথা বলে না, এমন সময় কেউ তাদের পাশে এসে দাঁড়ায় না।
কিন্তু যদি কোন মুসলিম দেশে সন্ত্রাসী হামলা হয় তখন তারা আসে তাদেরকে সাহায্য করতে!!
এখন আমার প্রশ্ন তারা কি সত্যিই আমাদের সাহায্য করতে আসে না মুসলিম নিধন করতে?
সিরিয়ায় যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন বিমান হামলা চালায় তাহলে খবরে কি আসে?
কয়জন সন্ত্রাস মরে?
অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন।
কিন্তু এটাকে আমরা সন্ত্রাসবাদ বলি না।
এটাকে কি বলি!!! জঙ্গিনিধন!!
ভাই শুধু তোরা জঙ্গিকে ঘৃণা করিস না আমরাও করি।
তোরা জঙ্গিদের মার কোন সমস্যা নাই কিন্তু নিরীহ মুসলমানকে কেন হত্যা করিস?
কিন্তু তোরাই তো সনচেয়ে বেশি মানবধিকার বলে চিল্লাস।
ইযরাইল যখন ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নির্মমভাবে হত্যা করে তখন কোথায় যায় তোদের মানবধিকার?
কোথায় যায় তোদের বিবেক?
কথাটা শুনতে তেঁতো লাগলেও সত্য আসলে বিশ্ব গণমাধ্যম আমাদের বিপক্ষে, মুসলিমদের বিপক্ষে।
এরা মুসলিমরা কিছু করলেই সেটা তাদের প্রধান শিরোনাম হয় আর তারা নিজেরা করলে তাদের কোন হদিস থাকে না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন পার্থী ট্রাম্প কি বলেছিলেন?
তিনি বলেছিলেন তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রে কোন মুসলিম প্রবেশ করতে না দেয়ার কথা!!
এখান থেকে কি বোঝা যায়?
তিনি মুসলিম জাতিকে সন্ত্রাস বলেছেন,জঙ্গিবাদ বলেছেন।
আমি তার এই কথাকে মানতে পারলাম না।
আপনি যখন অন্যজনের ই-মেইল হ্যাক করেন এটাও কি মানবধিকার লঙ্ঘন না?
বিশ্ব নেতাদের কিছু উস্কানিমূলক কথার জন্যই আজ বিশ্বের এই অবস্তুা!
আমরা বীরের জাতি!!
আমরা সংগ্রাম করেই এতদূর এসেছি।
আমরা মনে প্রাণে সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদকে ঘৃণা করি।
আমরা আমাদের নিজস্ব শক্তি দিয়ে এসব অপশক্তিকে রুখে দেয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছি।
আমাদের কারোর সাহায্য লাগবে না তবুও সরকার যদি কারোর সাহায্যের আশায় থাকে এবং সাহায্য নেই তাহলে সবাই প্রস্তুত থাকুন অন্যদেশে গিয়ে ভিক্ষা করার জন্য।




সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৫৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পরিবর্তে ইয়াজিদী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×