আদৃত চিঠি লিখছে। খুব মনোযোগী এখন। তাকে কেউ ডিস্টার্ব করুক এটা সে চায় না। তার মা ডাকলো , নাস্তা খেতে। ও বললো, তোমার কাজই হলো আমাকে ডিস্টার্ব করা।
মা তো বুঝলেন কাজ হবে না।
গেলেন নানু।
বললেন, আদৃত নাস্তাটা খেয়ে তারপর লেখ।
আদৃততো মহাক্ষেপা।
বলে, চিঠি লেখার মজাটা নষ্ট করে দিও না।
নানুর জিজ্ঞাসা- কী হলো? কিভাবে?
ওর কথা, চিঠি লিখতে হয় দূরের কাউকে। কাছে এলে কি হয়?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




