জেএমবি নেতা শায়খ রহমান ও বাঙগা ভাই বিচারক হত্যার দায় স্বীকার করেছে। রহমান আদালতেই বলেছে যে সেই নির্দেশ প্রদান করেছে যে, বিচারক হত্যা করা হোক। সুতরাং এখন আর কোনো কিছুই বাকী রহল না জানাজানির।
প্রশ্ন হচ্ছে এই বাঙগা ভাইদের কে প্রশ্রয় দিয়েছে। কারা লালন করেছে। কাদের কাছ থেকে এরা টাকা পেয়েছে তা জানার অধিকার রয়েছে বাংলার মানুষের। যদি তা লুকি য়ে রাখা হয় তাহলে মনে করতে হবে যে সন্ত্রাসবাদকে আবারো উস্কে দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে।
আবুল বারকাত বলেছিলেন বছরে 12শ কোটি টাকা আয় করছে মৌলবাদী গোষ্ঠী। আর অন্য বিশেজ্ঞগণ বলেছেন, বোমাবাজদের অর্থের সংস্থান হয় এসব থেকেই। সর্বশেষ ইসলামী ব্যাংকে হিসাব খোলার মাধ্যমে যে বোমাবাজরা টাকা লেনদেন করতো তাও পরিস্কার হয়ে গেছে।
তারপরও কি শুধু রহমানদেরই বিচার হবে?
আমি মনে করি রহমানদের বিচার হওয়া উচিত
যেসব ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের অর্থ লেনদেনের সূত্র হিসেবে কাজ করেছে সেগুলোর লাইসেনস বাতিল করা হোক
যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে তাদের বিচার করা হোক।
যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সেসব দেশের কাছে বাংলাদেশের ক্ষতিপূরণ দাবি করা উচিত। সেইসব প্রতিষ্ঠানকেও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
তা না হলে আগামীতে আবারো বাংগা ভাইদের উত্থান হতে পারে। বিদেশি শত্রুরাও এদেশে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য এগিয়ে আসতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




