ই-কমার্স বা ই-বিজনেজের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের যে কোন দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করা যায়। তেমনি ই-মেইলের সাহায্যে বিশ্বের যে কোন দেশের সাথে অতি স্বল্প সময়ে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা সকলেরই জানা আছে। এমনকি ই-মেইলের সুবাধে আজ অনেকেই নিজ হাতে চিঠিপত্র লেখা প্রায় বন্ধই করে দিয়েছে। পূর্বে যেখানে চিঠি পেতে 5/7 দিন কিংবা মাসের পর মাস অপো করতে হতো। ই-মেইলের সুবাধে এখন তা লাগছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। চিঠি পত্র আদান প্রদানে চিঠি বাহককে স্বশরীরে যাতায়াতের ব্যাপার ছাড়াও ছিল অফিসিয়াল আনুষ্ঠানিকতা এবং আরো অনেক কিছু। কিন্তু ই-মেইলে সেই ঝামেলা নেই। নেই কোন পোষ্ট কার্ড, ষ্ট্যাম্প বা ইনভেলাপ-এর প্রয়োজন। অর্থাৎ সাশ্রয় হচ্ছে সময় এবং খরচ। ইন্টারনেট ব্রাউজিং আমরা অনেকেই করে থাকি। ইন্টারনেট এমন একটি মাধ্যম, যা কোন ভৌগোলিক সীমারেখা মানে না। আর তাই ইন্টারনেটের সুযোগ ও সুবিধা অত্যন্ত ব্যাপক এবং সূদুরপ্রসারী, কারণ বিশ্বের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক নগরীর বাসিন্দাও এতে সামিল হতে পারে স্বেচ্ছায়। বলতে গেলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়া আজকাল উচ্চ শিা কিংবা গবেষণা একেবার্ইে অচল। অচল আধুনিক ব্যবসা বাণিজ্যও। মুহুর্তের মধ্যেই ইন্টারনেটের সুবাধে বিশ্বের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে কিংবা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জার্নাল বা বইয়ের তথ্য অনায়াসে (বলতে গেলে কোন সময়ই লাগে না) সংগ্রহ করা যায়। গবেষককে স্বশরীরে সময় ও টাকা ব্যয় করে কোন লাইব্রেরীতে যেতে হচ্ছে না। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের সর্বশেষ গঠনাবহুল তথ্য ব্রাউজিং এর মাধ্যমে একজন গবেষক অতি দ্রুত এবং স্বল্প খরচে সংগ্রহ করতে পারছে। ফলে সমৃদ্ধ হচ্ছে তার গবেষণা এবং সাশ্রয় হচ্ছে সময় এবং খরচ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




