হোমিও চিকিৎসার প্রতি আমার কোনো আস্থা ছিল না। মনে করতাম এটা পুরনো দিনের চিকিৎসা পদ্ধতি। এতে আর তেমন আরোগ্য লাভের সুযোগ নেই। কিন্তু হাতেনাতে একটি প্রমাণ পাওয়ার পর আমার ধারণা বদলে যায়।
আমার এক আত্মীয় অনেক দিন ধরে অসুস্থ। চিকিৎসা করে কোনো সুবিধা করতে পারছিলেন না। সর্বশেষ বিরক্ত হয়ে তিনি গিয়েছিলেন রায়ের বাজার এলাকায় এক হোমিও চিকিৎসকের কাছে। এই ভদ্রলোক চিকিৎসা করেন একান্তই শখের কারণে হয়তো বা। কোনো ফিস নেন না। তবে মেজাজ একটু চড়া। সময় মেনে চলেন প্রচণ্ড। পান কিংবা সিগারেট খোর কারো চিকিৎসা করেন না।
যাই হোক সেই ভদ্রলোক( বয়স আশির বেশি হবে) আমার ঐ আত্মিয়াকে ওষুধ দিলেন। খুবই উপকার পেলেন তিনি। এখন আর তিনি অন্য ডাক্তারের কথা চিন্তা করতে পারেন না।
বয়সের কারণে ডাক্তার রোগী দেখার ব্যাপারে ডাক্তারের পরিবার উৎসাহী নন। কিন্তু তাকে অনুরোধ করে রোগীরা চেম্বারে নিয়ে আসে। তিনিও চিকিৎসা সেবা দেন ।
আমি আমার মা কে নিয়ে গিয়েছিলাম তার কাছে। উপকার পেয়েছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



