সরকার ও বিরোধী দল রাজনৈতিক রশি টানাটানির ভেতর দিয়ে চলছে। সরকার পাত্তা দিচ্ছে না বিরোধী দলকে। আবার বিরোধী দলও সরকারকে ছেড়ে কথা বলছে না। সরকার মনে করে, দেশে কোনো সমস্যা নেই। আবার বিরোধী দলের কাছে সরকারের কোনো অর্জন নেই। পারসঙ্রিক স্ট্বার্থ নিয়ে দেশে চলছে নোংরা রাজনীতি। দেশের মানুষের স্ট্বার্থের কথা ভাববার সময় নেই তাদের। মানুষের মৌলিক চাহিদার দাবিকে নিয়ে স্ট্বার্থ হাসিলের রাজনৈতিক ইসু্য করা এবং কথায় কথায় সরকারকে উৎখাত করার হুমকি যেমন নোংরা রাজনীতি, তেমনি মানুষের মৌলিক চাহিদা পহৃরণে সরকারের টালবাহানাও নোংরা মানসিকতা ছাড়া কিছু নয়। আমরা জানি, বর্তমানে দেশের অনেক সমস্যা সাধারণ মানুষকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। অথচ সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে মনে হয়, এ নিয়ে সরকারের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। সামঙ্্রতিক দেশজুড়ে বিদু্যৎ, গ্যাস, ডিজেল ও সারের সমস্যা খুব প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিদু্যতের জন্য কানসাটে এলাহী কা- ঘটে গেল। অনেক নিরীহ মানুষ মারা গেল। বিদু্যতের অভাবে পানি থাকে না। পানি ছাড়া জীবন চলে? অথচ এ অবস্ট্থায় চলছে দেশ। সার নিয়ে মানুষকে প্রতিদিন দেশের বিভিল্পম্ন এলাকায় মিছিল করতে হয়। ডিজেল ও জ্বালানি তেল নিয়েও এর আগে দেশজুড়ে হাহাকার সৃষদ্বি হয়েছিল। আর পণ্যসামগ্রীর দাম বাড়া তো এখন শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো স্ট্বাভাবিক ঘটনা। সরকার বলে উল্পম্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসছে অথচ প্রতিদিন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষকে দেখি পানির জন্য কলসি, বালতি নিয়ে মিছিল করছে। বিদু্যতের জন্য হরতাল, অবরোধ হলো কানসাটে। আর হারিকেন ও মোমবাতি নিয়েও মানুষকে মিছিল করতে হয় রাস্টস্নাঘাটে। পণ্যদ্রব্যের মহৃল্যবৃদব্দির প্রতিবাদে শাকসবজি নিয়েও বাংলার মানুষ মিছিল ও বিােভ করছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, চারদিকে উল্পম্নয়ন চলছে এবং মানুষ শানস্নি ও সুখে আছে। পানি, বিদু্যৎ, গ্যাস, দ্রব্যমহৃল্য বৃদব্দি এবং ডিজেল ও সার সমস্যা_ এগুলো ছাড়া মানুষ কিভাবে শানস্নিতে ঘুমায়? পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কি? আর বিরোধী দলও মানুষের এসব মৌলিক সমস্যাকে নিয়ে সফল রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না। কারণ তারাও মতায় যাওয়ার জন্য শুধু লোক দেখানো ও স্ট্বার্থের রাজনীতি করে। তাই তাদের রাজনীতির সঙ্গে মানুষের সমর্থন নেই। সরকার গণমানুষের দাবিকে উপো করে আসছে। সরকার তার ব্যর্থতা ঢাকার জন্য শাক দিয়ে মাছ ঢাকছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের রাজনীতি যেন সরকারের বিরোধিতা করা। সরকার ও বিরোধী দল মতার জন্য রাজনীতি করছে। কিন্তু জনগণই যেখানে মতার সিঁড়ি সেজন্য জনগণকে নিয়ে ভাবাই সুস্ট্থ ও স্টি্থতিশীল রাজনীতির পহৃর্বশর্ত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



