পাবলিক ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষক সরকারের কাছ থেকে সবরকমের সুবিধাদি পেয়ে থাকেন। যার বিনিময়ে তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের পাবলিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের বড় একটি অংশ তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়ম এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে দুনর্ীতির আশ্রয় নিচ্ছেন। তাদের সমুদয় অকর্ম করার পেছনে একটাই কারণ - তা হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ প্রাপ্তি।
দেশে বসে তারা হয়তো কোনো প্রকল্প নিয়ে ওঠে পড়ে লাগেন। নতুবা তাদের দেখা যায়, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করছেন। এটা কোনো মতেই মেনে নেয়া যায় না। একজন শিক্ষক তার চাকরি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়ার পর কিভাবে আরেক জায়গায় চাকরি করতে পারেন।
আরেকটি গ্রুপ আছে স্কলারশিপ কিংবা অন্যকোনো উপায়ে তারা বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কিংবা লেখাপড়া করার নামে কাটিয়ে দেন বছরের পর বছর। এমনো শিক্ষক আছে যিনি নাকি চাকরির 19 বছরের মধ্যে মাত্র তিন বছর কর্মস্থলে হাজির ছিলেন বাকী 16 বছর কাটিয়ে দিয়েছেন বিদেশে।
অথচ তাদের পরিচয় হচেছ তারা পাবলিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক।
এদিকে নজর দেওয়া দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



