পত্রিকায় সংবাদ বেরিয়েছে 'বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার প্রতি মার্কিন রাষট্রদূতের শ্রদব্দা নিবেদন আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতবিরোধ দহৃর করার তাগিদ' শিরোনামে । বলা হয়, ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ. বিউটেনিস শনিবার সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদব্দা নিবেদন করতে গিয়ে তিনি এই দুই মহান নেতাকেই বাংলাদেশের স্থপতি(আর্কিটেক্ট) হিসেবে অভিহত করেন। তিনি প্রথমে শেরেবাংলা নগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে মরহুম রাষট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যান। সেখানে শ্রদব্দার্ঘ অর্পণ ও শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। শোক বইয়ে তিনি লেখেন, 'যে মহান নেতার সংগ্রামে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে তার প্রতি শ্রদব্দা জানাই।'
এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুু জাদুঘরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করে শ্রদব্দা নিবেদন করেন এবং শোক বইয়ে লেখেন, 'এ মহান নেতার হত্যাকাণ্ডে শুধু একটি পরিবার নয়, সারাদেশ দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। একটি অর্থবহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়েই এ নেতার প্রতি প্রকৃত শ্রব্দা জানাতে হবে।'
সচেতনভাবে ল্য করে দেখুন, নবনিযুক্ত মার্কিন রাষট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ. বিউটেনিস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উভয় নেতাকেই এক কাতারে শামিল করার প্রয়াস চালিয়েছেন_ যা বিএনপির একমাত্র জীবন-মরণ সাধনা। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে, বিএনপি মতাসীন থাকার কারণেই রাষট্রদূত প্রথমে জিয়াউর রহমানের প্রতি এবং পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তারপরও কথা থাকে যে, বাঙালি জাতির স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং বাস্তবতার আলোকে এমন কোনো যুক্তি বা তথ্য নেই, যার ভিত্তিতে জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির অভিধায় অভিহত করা যায়। মুক্তিযুদ্ধের একজন সফল সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ককে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্থপতির অভিধায় অভিহিত করলেন কেন? এটি কি তার জ্ঞানের অভাবের কারণে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



