পুঁজিতান্পিক বিশ্বায়নের যুগে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা যে খুবই শক্তিশালী তা বলার অপো রাখে না। কিন্তু কথা থাকে যে, প্রচার মাধ্যম কি সত্যিই সমাজে সর্বস্টস্নরে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছে? যদি তা না হয়, তাহলে আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে কেন তা পারছে না, সমস্যাটা কোথায়? এছাড়া এ-ও আমাদের বিশ্নেষণ করতে হবে এ প্রচার মাধ্যম কাদের হাতে, এর নিয়ন্পণ কারা করছে, তাদের আসল উদ্দেশ্যই বা কী? এসব প্রশেম্নর উত্তর যদি আমরা বের না করতে পারি তাহলে প্রচার মাধ্যম থেকে আমরা কী চাই তা নিয়ে যথেষদ্ব সংশয় থেকে যায়।
বলা হয়ে থাকে, প্রচার মাধ্যম যোগাযোগ, সমাজ উল্পম্নয়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সচেতনতা বৃদব্দি, শিা, গণতন্প বিকাশ ইত্যাদি েেত্র উলেল্গখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। প্রচার মাধ্যমের এ ধরনের ভূমিকা তো আছেই। কিন্তু বাস্টস্নবে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারছে তা খতিয়ে দেখা জরুরি। কার প েপ্রচার মাধ্যম কাজ করছে_ শাসক শ্রেণীর প েনা শোষিতের প?ে প্রচার মাধ্যমের কোনো নিয়ন্পণ কি জনগণের হাতে আছে? যার নিয়ন্পণ জনগণের হাতে বা যে মাধ্যমে জনঅংশগ্রহণ নেই বা সুযোগ নেই, তা কি আদৌ জনগণের প্রকৃত কাজে আসে? উদাহরণস্ট্বরূপ, প্রচার মাধ্যমের (পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি) নিয়ন্পণ ও মালিকানার কথা বলি তাহলে দেখা যায় এগুলো নিয়ন্পণ করছে সরকার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশে প্রচার মাধ্যমের অবস্ট্থা তথা স্ট্বাধীন মতামত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্ট্বাধীনতা, জনগণের তথ্যপ্রাপ্টিস্নর অধিকার, যোগাযোগ অধিকার ইত্যাদি খুব আশাপ্রদ নয়। কারণ এসব মাধ্যমে কোনো েেত্রই জনগণের অংশীদারিত্দ্ব নেই, নিয়ন্পণভার নেই। একদিকে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়ন্পণ, কলাকৌশল, ব্যবস্ট্থাপনা সরকারের হাতে, আর বেসরকারি মাধ্যমগুলো ব্যবসায়ীদের হাতে, কর্পোরেশনের হাতে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সরকারের হাতের পুতুল। টেলিভিশনের স্ট্বায়ত্দ্বশাসনের কথা নির্বাচনী ইশতেহারে থাকলেও, মুখে বললেও কোনো সরকারই তা বাস্টস্নবায়ন করেনি। কারণ মতা ও শক্তির নিয়ন্পণের প্রতীক হিসেবে রেডিও টেলিভিশনকে দেখা হয়। ফলে সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছাই এতে প্রতিফলিত হয়, সরকারের গুণগানই মহৃল কার্যত্রক্রম। জনঅংশগ্রহণের কথা বা জনগণের চাহিদামাফিক কার্যত্রক্রম খুব কমই প্রচার করা হয়ে থাকে। এছাড়া বেসরকারি নিয়ন্পণে আছে একটি রেডিও চ্যানেল (রেডিও মেট্রোওয়েভ যার সমঙ্্রচার আপাতত বল্পব্দ) এবং বেশ কটি টেরেসদ্ব্রিয়াল সমঙ্্রচার চ্যানেল। ব্যাপক জনগোষ্ঠীর স্ট্বার্থের বা জনঅধিকার নিয়ে এসব চ্যানেল কদাচিৎ কথা বলে। কর্পোরেট পুঁজির দাপটে বিজ্ঞাপন নামক মসলা আর শিতি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য সুড়সুড়ি মার্কা খোরাক ছাড়া এসব চ্যানেল থেকে খুব একটা কিছু পাওয়া যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



