somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জামালপুরের আজকের আন্দোলনের পরিস্থিতি (০৯ ফেব্রুয়ারি'১৩)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সারা দিনই আন্দোলনে কম বেশি মুখরিত ছিল জামালপুর শহর। দুপুরে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফোরাম এক বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান করে জামালপুরের মুক্তমঞ্চে। তাদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত থাকে সমগ্র এলাকা। বিকালে মিছিল নিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। সন্ধার সময় জামালপুরের জনসাধারণ বের করে এক বিশাল মশাল মিছিল। মিছিলটি সকাল বাজার থেকে ঘুরে লম্বা গাছ মোড় পর্যন্ত গিয়ে আবার মুক্তমঞ্চের দিকে চলে আসে। মিছিলটি শুরু হয়েছিল জামালপুরের তমালতলা মোড় থেকে।

সন্ধ্যা সাতটার পর কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য দানকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগনের মধ্যে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু নেতা তো নেতাই, একবার মাইক হাতে পেলে আর ছাড়তে চান না। জনগণের কথা ভুলে গিয়ে শুরু করে দেয় রাজনৈতিক বক্তৃতা। জনগন খেপে গিয়ে বক্তৃতার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করে কিন্তু তাতেও কর্ণপাত না করে তাদের বক্তৃতা চালাতে থাকে। করার কিছু নাই। অবশেষে তাদের বিভিন্ন জনের লম্বা চড়া বক্তৃতা শেষে মাইক ছেড়ে দেয় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর হাতে। গান পরিবেশন করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। গানের ফাঁকে ফাঁকে চলতে থাকে জাগরণী স্লোগান।

এরই মাঝে চলে আসেন জামালপুরের বিখ্যাত মুক্তি যোদ্ধা, জামালপুর সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজের মাননীয় প্রিন্সিপাল জনাব শফিক উদ্দিন আকন্দ। তিনি তার কয়েকজন শিক্ষকদের সাথে নিয়ে চলে আসেন তরুন প্রজন্মের আন্দোলনে। তিনিও আমাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। আমাদের সাহস দেন এবং সামনে এগিয়ে জাওয়ার কিছু নির্দেশনা দেন।

এভাবে চলল আজকের কার্যক্রম। আগের দিনের তুলনায় আজকে লোক সমাগম সামান্য বেশি ছিল।

জয় বাংলা বাংলার জয়।

বাঁশের লাঠি তৈরী কর,
রাজাকার নিধন কর।

Made in Pakistan,
জামাতে ইসলাম।

একটা একটা জামাত ধরো,
ধইরা ধইরা জবাই করো।

তোমার আমার ঠিকানা,
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা।

জয় বাংলা, বাংলার জয়
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে” (দিনলিপি, ছবিব্লগ)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫


রোদের মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে....
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২৩৩

"সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে" -- নিজ শিশুর মুখে একথা শুনে মানব শিশুর মায়েরা সাধারণতঃ কপট রাগত স্বরে এমন প্রতিক্রিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান নিজে কি পেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৫


ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে একটা প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে — রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান আসলে কী পেল? ইরানের Shahed-136 ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি... ...বাকিটুকু পড়ুন

"মেলা সুন্দর হতো আমাদের শৈশবে, যখন বই ছিল স্বপ্নের প্রতিশব্দ" ~ বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া আমার সাক্ষাৎকার

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৮



প্রশ্ন: মেলায় আপনার নতুন কী বই প্রকাশিত হচ্ছে?

সাজিদ উল হক আবিরঃ গত বছরখানেক ধরে দুটো বইয়ের কাজ করছিলাম। একটা আমার দ্বিতীয় উপন্যাস, সরীসৃপতন্ত্র; দ্বিতীয়টি, মিলান কুণ্ডেরার উপন্যাস দা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল্লাদ খামেনি বাঙ্গুদের কাছে হিরো

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২



বাঙ্গুদের কাছে খামেনি হিরো কারণ সে ইউএসের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিল। কিন্তু বাঙ্গুরা কখনোই জানবেনা এই খামেনির ইরান ২০০৬ সালে তাদের এয়ারস্পেস আমেরিকার জন্য খুলে দেয় যাতে সাদ্দামের বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধ বিরোধী কবিতা: তোমরা বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো

লিখেছেন অর্ক, ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪২



আর আমি ভীষণ দুঃখ পেলাম দেখে
দল বেধে বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো
কুয়াশাচ্ছন্ন বরফসাদা হিম রাত শীতের
তোমরা বিরাটকার কালো আলখাল্লা পরা
উলের ভারি দস্তানা ও মুজো হাতে পা’য়ে;
পাশবিক উল্লাসে শীর্ণকায় শিশু বিড়ালটিকে
কামড়ে আঁচড়েহাঁচড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×