তখন প্রথম ইনিংস শেষ। ভারতকে 200 রানের ভিতরে বেধে ফেলাটা রীতিমতো বিস্ময়কর খবর। ইনিংস বিরতীতে স্যারের বাসায় পিজ্জা উৎসব।
ঢাউস সু্যটকেসটা সরিয়ে রেখে, সবাইকে হাই হ্যালো বলে তখন বসে গেছি বিদেশের মাটিতে এক টুকরো বাংলাদেশের ভিতরে। টিভি পর্দায় লাল সবুজ পতাকা জড়ানো খেলোয়াড়েরা। একটু পরে তামিম ইকবালেরা ফাটিয়ে দিলো মাঠ, টিভি পর্দা। সিংহপুরের গিলম্যান হাইটস নামের সেই এ্যাপার্টমেন্টের 12 তলায় তখন জেগে উঠেছে বাংলাদেশ।
মাশীদ ওদিকে মালয়শিয়া থেকে ফের সিংহপুরে পৌছেছে। বললাম চলে আসতে। ওর ধারনা ও নিজে কুফা। যখনই বাংলাদেশের খেলা দেখে তখনই বাংলাদেশ হারে। যখন দেখে না, তখন জিতে। সুতরাং আসতে রাজী না। পরে স্কোর আপডেট শুনে শুনে অনেক পরে এসে হাজির। টিভি সামনে না, দূরে দাড়িয়ে ছিলো, পাছে বাংলাদেশ হের যায়।
দুইবার কি কাজে রান্নাঘরে যেতেই দুটো ছক্কা! ছেমরি তার কুসংস্কার নিয়ে দূরে থেকে চিৎকার করে, দেখলি আমি গেলেই বাংলাদেশ ভালো খেলে। দূরে যা কাছে থাক, আজকে বাংলাদেশ জিতবেই। যখন স্কোর লেভেল তখন সবাই একসাথে। বি কুফা অর নো কুফা। স্ক্রিনে তখন লাল সবুজের পুনরুত্থান। যুবরাজ সিংয়ের হাই তোলা, ভারতীয় কোচের মাথা চুলকানী।
সাবাশ বাংলাদেশ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




