বিশ্বকাপ আর খেলার সিজন আইলেই দোয়া দুরুদ শুরু হইয়া যায়। খেলোয়ারগো লেইগা আখেরী মোনাজাতের পদ্মা গঙ্গা। কিন্তুক মোদ্দা কথা হইলো এই দোয়ায় সমর্থকগো মানসিক অস্থিরতা কাটাইনের লাগইগা মনোযোগ অন্যদিকে প্রবাহিত করন ছাড়া আর কিছুই কি হয়?
ভালা ফলাফলের লাইগা ঐ বৃত্তবন্দী 11 জন জোয়ানের ভালো খেলন লাগবো। হ্যারা ভালো খেললে জিতবো, মরার খেলা খেললে হারবো। এইটা সহজ হিসাব। এই সহজ কথা বুঝলে হুদাই আকাশ ছোয়া এক্সপেকটেশনডাও কমতো। প্রিয় দল হারলে মনডাও কম খারাপ হইতো। দু:খের ঠেলায় 2 /1 জন হইলেও কম হার্টফেল কইরা মরতো। তাই কই হুদাই দোয়ার কথা ছাড়ান দিয়া ইজি হইয়া খ্যালা দেহেন। যারা নিজেগো অবস্থার পরিবর্তন করতে চেষ্টা করে না, হ্যাগো অবস্থা খোদায়ও পরিবর্তন করে না, এমুনডাই নাকি কোরানের কথা। খেলাডা ঐ 11জন খেলোয়াড়ের। আপনের আমার না। আপনে দোয়া কইরা হাবিবুলের আউট ঠ্যাকাইতে চান কোন বিচারে?
তাই কই অহেতুক অস্থির হইয়া বেকুবের মতো বাকিডিরে দোয়া করতে ডাইকেন না। এইসব পুলাপানের সেন্টিমেন্ট কাটাইয়া আসেন আমরা বড় হই।
আর যদি মানসিক অস্থিরতা কাটানের লাইগা দোয়া ছাড়া আর কোন বুদ্ধি না পান তাইলে কইয়েন। বিকল্প বাতলানো যাইলেও যাইতে পারে। একটা বিকল্প এখনই কওন যায়। প্রথম আলোর উৎপল শুভ্রের কবিতাময় সাহিত্য মার্কা স্পোর্টস নিউজ পড়া ছাড়ান দেন। অন্য পেপার পড়েন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




