সেই ভাবনার রেশ ধরেই লেখাটি।
আমি মনে করি ব্যক্তির মতামতকে কেন্দ্র করে, তার যুক্তির বিরুদ্ধে লেখা এক ব্যাপার আর সেই ব্যক্তিকে টেনে আনা এবং তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমনাত্নক লেখা দুটো সম্পূর্ণ দুই ব্যাপার।
কেন?
1, মানুষের মতামত পাল্টাতেই পারে। পালটায়ও। নতুন চিন্তার মাধ্যমে মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গির অদলবদল হয়। কিন্তু ভাবনার পেছনের মানুষটি কিন্তু সেই মানুষটিই থাকে। আজ আমার কাছে যা সঠিক মনে হচ্ছে, অতিরিক্ত তথ্যের সংযোজনে আমি সেই মতকে পাল্টাতেই পারি। এই যুক্তিতে একজন মানুষ যখন একটি পক্ষ নিয়ে মতামত প্রদান করে তখন বিরুদ্ধচারন করতে হলে তার মতামতের বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত, ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়।
2. ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমনের একটি বড় বিপদ হলো এতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা হয়।
3. ব্যক্তিগত আক্রমন মানুষের পরস্পরের প্রতি সন্মানবোধকে প্রশ্নের সন্মুখিন করে। যে পারস্পরিক সন্মানবোধ মানুষের পারিবারিক, সামাজিক বন্ধন এমনকি ভালোবাসার ভিতরেও ওতোপ্রোত জড়িত সেই পারস্পরিক সন্মানবোধকে জলাঞ্জলি দেওয়া ব্যক্তিগত আক্রমনমূলক পোস্ট থেকে বিরত থাকাই তাই কাম্য।
প্রাচীন জ্ঞানে বলে, পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয় {যীশু খ্রিষ্ট (তার প্রতি সালাম)} । ব্লগের ভাষায় অনুরূপভাবে বলা যায: ব্যক্তির মতকে সমালোচনা করো, ব্যক্তিকে নয়।
পরিচ্ছন্ন ব্লগিং কালচারের প্রত্যাশায় সবাইকে শুভেচ্ছা।
http://mysticsaint.blogspot.com
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




