সম্প্রতি অপবাকের "ভন্ড একেশ্বরবাদী" পোস্টে বুদ্ধের নাম দেখে কিছু লিখতে ইচ্ছে হলো। একটা জিনিস অনেকেই ভুল করেন যে বুদ্ধা বোধহয় ইশ্বর চেতনাকে পুরোপুরি বাদ দিয়েছেন। তিনি তা করেন নি। যখন তাকে ঈশ্বর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি চুপ থেকেছেন। হ্যাও বলেন নি, নাও বলেন নি। যখন সৃষ্টির শুরুর কথা জিজ্ঞেস করা হয়েছে তখন তিনি বলেছেন এটা জানার প্রয়োজন নেই। বুদ্ধা ইচ্ছে করেই ঈশ্বরের ধারনাকে তার কথার বাইরে রেখেছেন।
কোনো ব্যক্তি বা ইভেন্টকে ব্যবচ্ছেদ করতে হলে সময় ডাইমেনশনকে বাদ দিলে সমস্যা। এখানেও সময়কে ভুলে গেলে চলবে না। যে সময়ে বুদ্ধা জন্ম নিয়েছেন সেই সময়টায় পুরো ভারত এবং ঐ এলাকা জুড়ে মানুষ ধর্ম এবং ঈশ্বর নিয়েও একটা অন্ধকার সময়ের ভিতরে বাস করছিলো। আমার ঈশ্বর আর তোমার ঈশ্বর নিয়ে ক্যাচাল ছিলো ক্রমবর্ধমান। ধর্মের কোনো অভাব ছিলো না ভারতে। এই প্রেক্ষিতে বুদ্ধা বৌদ্ধত্ত্ব লাভের পরে খেয়াল করেন যে ঈশ্বরের ধারনা থাকাতেও মানুষের নৈতিকতা উন্নত হচ্ছে না। তখন তিনি আবার মানুষকে নিজের আত্নার কাছে ফিরে আসার ডাক দিলেন। তিনি বললেন নিজেকে জানো, ব্যাস, আর কিছুর দরকার নেই। নিজের মনকে খেয়াল করো, সবসময় নিজের নৈতিকতার প্রতি নজর রাখো। বুদ্ধা স্রষ্টাকে বিতর্কের বাইরে রেখেই নিজেকে জানার জন্য উৎসাহিত করেছে। ম্যাটেরিয়াল লাইফ থেকে ফিরিয়ে আতি্নক শুদ্ধিকে উৎসাহিত করেছেন। এবং তার সময় এবং অন্যান্য প্রেক্ষিতে তিনি খুব সফলও হয়েছেন বলতে হবে।
মুহাম্মদ যখন বলেছেন যে নিজেকে জানে সে স্রষ্টাকে জানে, সেখানে বুদ্ধা বলেছেন নিজেকে জানো। তোমার ভিতরেই সব কিছু তাই নিজেকে জানাই যথেষ্ট। খুব কি পার্থক্যের মনে হচ্ছে? মুহাম্মদ এবং বুদ্ধা উভয়ের উপরে স্রষ্টার শান্তি ও রহমত বর্ষিত হউক।
অসম্পূর্ণ ... পুরো চিন্তাটা এখানে পাওয়া যাবে:
Click This Link পড়ে দেখে এখানে মন্তব্য করতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



