কে বললে উৎসাহিত করা হয় না? আমি তো দেখি উৎসাহিত করা হয়, হয়েছেও। তারপরেও মানুষ অন্য ধর্মের একজনকে বিয়ে করতে একধরনের ট্যাবু মনোভাব ধরে রাখে তা হলো মূলত সামাজিক ক দ্্বিধা। এর সাথে ধর্মের কার্যকারন কমই বলবো। আমাদের দেশে যৌতুক নেওয়া কি ধর্ম থেকে এসেছে নাকি সামাজিক অনাচার?
যে কারনে মানুষ একই ভাষাভাষী জীবন সঙ্গিনী খুঁজে থাকে, ঠিক একই কারনে একজন মুসলিম ছেলে মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। নয়তো সামাজিক বা পারিবারিক কালচারে সংঘাত আসার সম্ভাবনা থাকে। সংঘাত অনেকাংশে চলে আসে। তারপরেও অনেকেই ভিন্ন ধমর্ীকে বিয়ে করে অনেক সুখেই আছে।
পশ্চিমে যেখানে ধর্ম জীবনে এতটা প্রভাবিত করে না সেখানে তো ইন্টাররিলিজিয়াস বিয়ে হরহামেশাই হচ্ছে। খ্রিস্টান এবং ইহুদীরা বিয়ে করছে পরস্পর পরস্পরকে, চার্চের আশীর্বাদ নিয়েই।
ইসলামও জায়গা এবং সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিয়ে ব্যাপারটাকেও এডোপ্ট করে নিয়েছে। মধ্য এশিয়ায় ইসলামের প্রথম দিককার সময়ে বৌদ্ধ এবং মুসলিমদের মধ্যে বিয়ে স্বীকৃত ছিলো বেশ খোলামেলা ভাবেই। এ সব কিছু নির্ভর করে ধর্মকে কতটা উদারভাবে ব্যাখ্যা করা হয় বা গ্রহন করা হয়। অনেক সময়ে ইসলামের মূল শিক্ষার চাইতে আরব গোষ্ঠির শিক্ষাই মুখ্য হয়ে উঠেছে যা থেকে ভুল বোঝা বুঝির সৃষ্টি। ধর্ম মানুষের জন্য, মানুষ ধর্মের জন্য নয়।
এই লিংকে উৎস সহ বৌদ্ধ এবং মুসলিমদের ভিতরে সহাবস্থান এবং বিয়ে নিয়ে কিছু কৌতুহলউদ্দীপক তথ্য পাবেন: http://tinyurl.com/fnzpy
আরেকটি ইন্টারেস্টিং লিংক: http://tinyurl.com/grybr
ইসলামে তো খ্রিস্টান বা ইহুদীদের বিয়ে করতে অনুমতি আছে। এ সম্পর্কেবিতর্কিত প্রশ্ন থাকলে এই লিংকে যেতে পারেন। http://tinyurl.com/g6wcg
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




