জীবনে যাই হোক কখনও জলের মতো হবেননা । তাই বলে আবার পাথর হতে যাবেননা । জলের সর্বজনগ্রাহ্যতা আপনাকে যেমন করে তুলে গুরুত্বহীন, দূষিত; তেমনই পাথরের অতিদৃঢ়তা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে একেবারে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বোঝা হয়ে উঠে ।

সবার সঙ্গে যদি চলার ইচ্ছে থেকেই থাকে তাহলে বরফ হতে শিখুন -শিতল, দৃঢ় অথচ স্বল্প গলনাঙ্কবিশিষ্ট ! প্রয়োজনে দৃঢ় হন, প্রয়োজনে নমনীয় হন । দেখবেন, একরোখা মানুষরা একঘরে হয়ে যায় । অপরপক্ষে, ব্যক্তিত্বহীন, অমিনম্ররাও সে বিচ্ছিন্নতা প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েনা , এরা সর্বত্র বিচরন করতে গিয়ে কোথাও ঠাই পায়না ।
বিচরন পরিমিত হোক, সীমিত নয় । যুক্তিবাদী কথা, আর ব্যাক্তিত্বসম্পন্ন চালচলন যেন কখনও অতিরিক্ত একটা বাড়তি আস্তর হয়ে নিজের চরিত্রের উপর জমে না থাকে সেদিকেও খেয়াল যেমন রাখতে হবে তেমনই খেয়াল থাকতে হবে কেউ যেন আপনার সব কাজেই মাথা নাড়ানোকে আপনার মতামত প্রদানের অযোগ্যতা বলে ধরে না নেয় ।
মধ্যমপন্থা, পরিমিতবোধই সর্বাবস্থাই, সর্বপরিস্থিতিতে সর্বোত্তম ব্যবস্থা । সংযম খুব দুঃসাধ্য কিন্তু এই সংযমের ফলাফল যে কত চমৎকার তা যদি বুঝতে পারতেন তাহলে সংযম অর্জন কখনও এতটা দুঃসহ লাগতোনা ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



