মানুষের জন্ম হয় কেন?
খুব জটিল প্রশ্ন হয়ে গেল মনে হয়।
তাহলে পড়ুন.....
কোন এক কবি বলেছেন, জন্মেছিস যখন, তখন দাগ রেখে যা।
আর যাই হোক বাধ ভাঙ্গার আওয়াজে কিন্তু সেই চেষ্টা করা যেতে পারে।
আসলে মানুষ হয়ে জন্মগ্রহন করাটা একটা দায়। একটা বিরাট দায়িত্ব। যখন জন্ম হয়েছে দায়িত্বটা কাধে চেপে বসেছে। দার্শনিকেরা বলেছেন, এই যুগ হলো চিন্তার যুগ। অন্যান্য প্রানী থেকে মানুষকে পৃথক করা হয়েছে দুটি কারনে একটি হলো যুক্তি প্রয়োগের কৌশল, আরেকটি হলো মানবিকতা ও সৌন্দর্যপ্রিয়তা।
আজকে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি অভাব জ্ঞানের। পথচলার জন্য জ্ঞানও চাই, প্রেমও চাই। প্রেমবিহীন জ্ঞান যেমন একপেশে তেমনি জ্ঞানবিহীন প্রেমও পঙ্গু। মানুষের জীবনে এই দুটি বিষয়ে সমন্বয় দরকার। আপন পরিমন্ডল এ সীমিত না থেকে, নিজের ক্ষুদ্রতাকে পরিহার করে ধ্রুব জ্যোতির সন্ধান করে যে জীবন- সেই তো সার্থক জীবন,
সেই জীবনই ভালো।
(সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার এর ভালো বলি কাকে থেকে সংকলিত, দাদা ম েন কিছু করবেন না)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




