
দারুণ কনকন শীত-কম্পিত শরীরে কাটে রজনী,
কুড়ে ঘরের বেড়ার ফাঁকেফাঁকে প্রবেশিত
ঝিরঝির বায়ু-ঘন কোয়াশাঁয় বেঁধেছে সর্দিকাশি।
অস্বচ্ছল পরিবার- দিন আনে দিন খায়
ঘরে নাই কম্বল লেপ কাঁথা বেশি,
কোথায় পাবে ঔষধ আর ভালো চিকিৎসা
কেবা দিবে শান্তনা একটু তাদের পাশে বসি!
কার কি পড়েছে দায়-
কাঙাল দরিদ্রজীবন ভাসমানদের দেখবেন খুঁজি!!
নিজের জন্যই থাকি ব্যস্ত আমরা সবাই,
ব্যস্ত হয়েই মিটিয়ে যাই নিজের প্রয়োজন!
কেবা রাখি কার খবর-দুর্বলের পাশে দাঁড়াই,
অন্যের দুঃখটাইবা বলেন বুঝেছি কয়জন!!
খোলা আকাশ ছাদের নিচে
কোয়াশাঁর চাদর জড়িয়ে পড়ে থাকে পথ-শিশু!
পথ থেকে পথে ক্লান্ত ভাসমান ঘুরে ঘুরে
এতটুকু মেলে না ঠাই, অপরাধ তারা জাতে নিচু!
বৃহৎ অট্টালিকা বিলাস ভবনের বারান্দা ঘিরে
বসিয়ে দেই দারোয়ান তাড়াতে মানবসন্তান-পশু!
হায়রে মানুষ! কুকুরের জায়গা হলেও-সানসেটে
শুতে পারেনা পিতামাতা হারা সেই এতিমরা কভু!
ওহে মানুষ-কিসের ভেদাভেদ করিসরে ভাই!
একই স্রষ্টার সৃষ্টি মোরা এক আকৃতির সবাই,
যেথা থেকে আসছি একদিন যাবোরে সেথাই!
ছবি কৃতজ্ঞতা গুগল সার্চ
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



