আসলে ত্রিভুজ স্বাধীনতার কি অর্থ, নিজেই জানেন না। স্বাধীনতা প্রাতিটি মানুষের জস্মগত প্রাপ্য। দ্বিমতের কোন অবকাশই এখানে নেই। একটা মানুষ তার প্রাপ্ত জন্সগত অধিকার স্বাধীনতা নিয়ে তান জীবনকে কি ভাবে পরিচালিত করবে, এটা তার একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। যিনি এই স্বাধীনতার ঠিকমতো ব্যাবহার করবেন, তার জীবনই পুরস্কৃত করবে তাকে। অপব্যবহারের জন্যে সমাজ, রাষ্ট্রের কাছে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। সে স্বাধীনতা দেবার আগেই তার পাবার যোগ্যতা সন্মন্ধে প্রশ্ন তোলার অধিকার কারোই নেই। আমাদের সমাজ তা দিতে পারছে, এটা সমাজের অপরাধ।
সে প্রশ্নই তুলেছেন ত্রিভুজ সাহেব। তাতে অবাক তো হলামই, আরো অবাক লাগছে, কিছু কিছু বুজর্গ ব্লগার তাতে প্রবল মাথা নেড়ে 'হ্যা হ্যা' বলে যাচ্ছেন সমস্বরে। এনাদেরকে অন্যমতের হলেও বুজর্গ বলে জানতাম। ত্রিভুজ সাহেবের চেয়েও এদের কাজে পলটি খেতে হচ্ছে। এতোদিনে টের পেলাম, সঠিক চিন্তা, বক্ত্যব্য আসল কথা নয়। দল ভারী করাটাই আসল।
মডারেটারদের কর্মেও অবাক লাগছে বেশ। ওনারা ত্রিভুজ সাহেবকে আমাদের মাথার উপরে এনে বসিয়ে আরো বেশী ঐশ্বরত্ব দিয়েছেন। এখন থেকে সমস্ত নারীদের শিক্ষা দীক্ষা ছেড়ে ঘরের কাজ শিখতে হবে। বড়জোর গার্হস্থবিজ্ঞানের কাশ এলাও করা যেতে পারে। শাহানা, আপনি তো মডারেশানের সাথে সংযুক্ত। আপনি ও আপনাদের সাথে যদি কোন মহিলা কাজ করেন, বাদ দিন এসব। সংসারের কাজ ও ছেলে মেয়ে বড় করার জন্যে এসবের কি কোন দরকার আছে ? ত্রিভুজ সাহেব তো আছেন আমাদের মাথার উপরে।
কোন কোন ব্যপারে দ্বিমত হয়ে আমি আমার নিজের মতের লোকদেরদেও তীর ছুড়েছি। এখন মনে হচ্ছে এটা ঠিক করিনি আমি। সেজন্যে মাপ চাইছি অপ বাকে র কাছে, মাপ চাইছি মহুয়ামন্জুরীর কাছে। আসলে দল ভারী করাই আসল! নীতিবোধ নিপাত যাক!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

