তারপরও নিজের মতামত প্রকাশ করেছি বেশ জোড়ালো ভাবেই। সে জোরালো আওয়াজে ছিল যুক্তির প্রাধান্য, যুক্তিহীন কথার জোরে কাউকে কোনঠাসা করা নয়। আস্তমেয়ের বক্তব্যের সমর্থনে মহুয়ামন্জুরীকেও ছেড়ে কথা বলিনি।
যে পোষ্ট নিয়ে এত কথা, তা ত্রিভুজের পোষ্টে ত্রিভুজ দিয়েছেন। সেখানে আমার কোন বাড়াবাড়ি ছিল না। লেখার পাশাপাশি আমার কাছে যা প্রশ্ন করার মতো মনে হয়েছিল, তা রেখেছিলাম। এ নিয়ে বেশী বলার ইচ্ছে নেই। যারা এ নিয়ে ভবতে চান, দয়া করে পোষ্ট ও উত্তরগুলো পড়ে নেবেন। তারপর নিজের স্বাধীন সত্বাকে প্রশ্ন করে নিজের চিন্তাকে সাজাবেন।
অনেকগুলো মিথ্যাচার রয়েছে ত্রিভুজের পোষ্টে। সিমরান একটা পোষ্ট দিয়েছিলেন আমাকে আক্রমন করে। সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন ত্রিভুজ। সেখানে আমার আত্মপক্ষ সমর্থনের ধারা ও ত্রিভুজের বক্তব্য পাশাপাশি সাজালেই দেখা যাবে কে কতটুকু উগ্র ও যুক্তিহীন বক্তব্যে অন্যকে আক্রমণে ব্যাস্ত।
ত্রিভুজের মিথ্যাচারগুলো বলছি। অপবাদ দেয়া হয়েছে, আমি নাকি সিমরানের আক্রমণের পর আমার পোষ্ট পরিবর্তন করেছি। পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মিথ্যে কথা। আমার পোষ্ট সর্বপ্রথম পড়ে মন্তব্য রেখেছেন শোমচৌ। ওনি বলতে পারবেন, আমি পরিবর্তন করেছি কি না। সামহোয়ারের যদি তেমন কোন সুযোগ থাকে তা পরীক্ষা করার, তারাও বলতে পারবেন।
আরেকটা অপবাদ হলো, আমি নাকি সিমরানের অনেক মন্তব্য মুছে দিয়েছি। অনেক নয়, একটি মন্তব্যই মুছেছি আমি ও তা মোছার সময় বলেও নিয়েছি। নোংরা গালাগাল ছিল, আমি নিজে কাউকে কখনো দিইনা, আমার শুনতেও ভাল লাগেনা। তাছাড়া আর কোন মন্তব্য মুছিনি আমি। মডারেটরদের যদি এসব প্রমান করার কোন সুযোগ থাকে, তাহলে তাদের প্রতি আমার সে অনুরোধ রইল।
ত্রিভুজকে বলছি। আমি ধার্মিক নই। আপনারা মনে প্রানে ধার্মিক। প্রতিটি ধর্মের প্রাথমিক বক্তব্য হচ্ছে নিজেদের সততা বজায় রাখা। আপনি কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আপনি তা করেছেন। সিমরানের কাছেও আমার একই প্রশ্ন রইল। ত্রিভুজ ও মহাজন, আপনারা পরে এ তর্কে যোগ দিয়েছেন। সিমরানের কাছে শুনেছেন আমি মন্তব্য মুছেছি ও আমার লেখা পরিবর্তন করেছি। আপনারা কি বিষয়টি একাটি বার তলিয়ে দেখেছেন, কথাটি ঠিক কি না? আপনাদের নিজেদের হাতে তার কোন প্রমান আছে ? আপনারা তা করেন নি। আমার বক্তব্যের বিরুদ্বে আপনাদের মতামত থাকতে পারে, আপনারা তা যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রকাশ না করে নোংরা আক্রমনের আশ্রয় নিয়েছেন।
এবার শান্তিকামী ও সুশীলদের ব্লগারদের কাছে আমার কথা। আমার অনুরোধ আপনারা এর প্রতিবাদ করবেন। তবে তার আগে পুরো বিষয়টি ভাল করে বিচার করে নিজেদের সিদ্ধান্তে উপনিত হবেন। তা না হলে আমি নিজে শান্তির দিকে আর নজর রাখবো না। আমার প্রতিবাদ চালিয়ে যাব এবং তা যেভাবেই হোক না কেন। তারপরেও যদি এই সীমাহীন নোংরামোর সাথে না পেরে উঠি, নিজের সন্মানের প্রতি নজর রেখে বিদায় নেব। এটা নোংরামোই সত্যিকার ভাবে, এর কোন তুলনা নেই। আপনাদের সাথে মতবিনিময় না করতে পারলে খারাপ লাগবে আমার, কিন্তু জীবন, সময় আর সৃষ্টি থেমে থাকে না কখনোই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




