somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ত্রিভুজ, সিমরানের বর্বর আক্রমন ও তিরন্দাজের একান্ত কিছু কথা

১৫ ই জুন, ২০০৬ রাত ২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকেই শান্তির কথা বলছেন গতকাল দুপুর থেকে। কালপুরুষ, পথিক, হযবরল, শো ম চৌ, স্বরহীন, মদন সহ অনেকেই। তাদের আহব্বানে সাড়া দিয়েই নানা নোংরা প্রচারনার পরও চুপচাপ ছিলাম। ব্যক্তিগত আক্রমন কাউকে কখনোই করিনি, সবসময় সবাইকেই না করার জন্যে বলে এসেছি। এমনকি যাদের সাথে আমার মতের মিল রয়েছে, তাদেরকেও ব্যাক্তিগত আক্রমণ থেকে দুরে থাকার কথা সবসময় বলে এসেছি। তাদের সাথে ঝগড়াও করেছি, অনেক সময় অন্যপক্ষকেও ডিফেন্ড করেছি। ছাগল সংক্রান্ত আলোচনায় একবারও যোগ দিইনি। কখনো কাউকে গালাগালি করে কিছু বলিনি, এটা আমার স্বভাব নয়। চেষ্টা করলেও পারব না। ব্লগ জীবনের শুরুতে বদরুলএর সাথে একবার বাড়াবাড়ি হয়েছিল, পরে নিজের কাছেই ভাল লাগেনি। আমরা দুজনেই আলাদা মতের হলেও পরস্পর পরস্পরের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলাম।

তারপরও নিজের মতামত প্রকাশ করেছি বেশ জোড়ালো ভাবেই। সে জোরালো আওয়াজে ছিল যুক্তির প্রাধান্য, যুক্তিহীন কথার জোরে কাউকে কোনঠাসা করা নয়। আস্তমেয়ের বক্তব্যের সমর্থনে মহুয়ামন্জুরীকেও ছেড়ে কথা বলিনি।

যে পোষ্ট নিয়ে এত কথা, তা ত্রিভুজের পোষ্টে ত্রিভুজ দিয়েছেন। সেখানে আমার কোন বাড়াবাড়ি ছিল না। লেখার পাশাপাশি আমার কাছে যা প্রশ্ন করার মতো মনে হয়েছিল, তা রেখেছিলাম। এ নিয়ে বেশী বলার ইচ্ছে নেই। যারা এ নিয়ে ভবতে চান, দয়া করে পোষ্ট ও উত্তরগুলো পড়ে নেবেন। তারপর নিজের স্বাধীন সত্বাকে প্রশ্ন করে নিজের চিন্তাকে সাজাবেন।

অনেকগুলো মিথ্যাচার রয়েছে ত্রিভুজের পোষ্টে। সিমরান একটা পোষ্ট দিয়েছিলেন আমাকে আক্রমন করে। সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন ত্রিভুজ। সেখানে আমার আত্মপক্ষ সমর্থনের ধারা ও ত্রিভুজের বক্তব্য পাশাপাশি সাজালেই দেখা যাবে কে কতটুকু উগ্র ও যুক্তিহীন বক্তব্যে অন্যকে আক্রমণে ব্যাস্ত।

ত্রিভুজের মিথ্যাচারগুলো বলছি। অপবাদ দেয়া হয়েছে, আমি নাকি সিমরানের আক্রমণের পর আমার পোষ্ট পরিবর্তন করেছি। পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মিথ্যে কথা। আমার পোষ্ট সর্বপ্রথম পড়ে মন্তব্য রেখেছেন শোমচৌ। ওনি বলতে পারবেন, আমি পরিবর্তন করেছি কি না। সামহোয়ারের যদি তেমন কোন সুযোগ থাকে তা পরীক্ষা করার, তারাও বলতে পারবেন।

আরেকটা অপবাদ হলো, আমি নাকি সিমরানের অনেক মন্তব্য মুছে দিয়েছি। অনেক নয়, একটি মন্তব্যই মুছেছি আমি ও তা মোছার সময় বলেও নিয়েছি। নোংরা গালাগাল ছিল, আমি নিজে কাউকে কখনো দিইনা, আমার শুনতেও ভাল লাগেনা। তাছাড়া আর কোন মন্তব্য মুছিনি আমি। মডারেটরদের যদি এসব প্রমান করার কোন সুযোগ থাকে, তাহলে তাদের প্রতি আমার সে অনুরোধ রইল।

ত্রিভুজকে বলছি। আমি ধার্মিক নই। আপনারা মনে প্রানে ধার্মিক। প্রতিটি ধর্মের প্রাথমিক বক্তব্য হচ্ছে নিজেদের সততা বজায় রাখা। আপনি কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আপনি তা করেছেন। সিমরানের কাছেও আমার একই প্রশ্ন রইল। ত্রিভুজ ও মহাজন, আপনারা পরে এ তর্কে যোগ দিয়েছেন। সিমরানের কাছে শুনেছেন আমি মন্তব্য মুছেছি ও আমার লেখা পরিবর্তন করেছি। আপনারা কি বিষয়টি একাটি বার তলিয়ে দেখেছেন, কথাটি ঠিক কি না? আপনাদের নিজেদের হাতে তার কোন প্রমান আছে ? আপনারা তা করেন নি। আমার বক্তব্যের বিরুদ্বে আপনাদের মতামত থাকতে পারে, আপনারা তা যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রকাশ না করে নোংরা আক্রমনের আশ্রয় নিয়েছেন।

এবার শান্তিকামী ও সুশীলদের ব্লগারদের কাছে আমার কথা। আমার অনুরোধ আপনারা এর প্রতিবাদ করবেন। তবে তার আগে পুরো বিষয়টি ভাল করে বিচার করে নিজেদের সিদ্ধান্তে উপনিত হবেন। তা না হলে আমি নিজে শান্তির দিকে আর নজর রাখবো না। আমার প্রতিবাদ চালিয়ে যাব এবং তা যেভাবেই হোক না কেন। তারপরেও যদি এই সীমাহীন নোংরামোর সাথে না পেরে উঠি, নিজের সন্মানের প্রতি নজর রেখে বিদায় নেব। এটা নোংরামোই সত্যিকার ভাবে, এর কোন তুলনা নেই। আপনাদের সাথে মতবিনিময় না করতে পারলে খারাপ লাগবে আমার, কিন্তু জীবন, সময় আর সৃষ্টি থেমে থাকে না কখনোই।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহ ইসলামপন্থীদের ক্ষমতা দেন না কেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃষ্ণকান্তের উইল ও তৎকালীন নারী সমাজের প্রতিচ্ছবি

লিখেছেন মৌরি হক দোলা, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০৩




দেশ-কাল-জাতি নির্বিশেষে প্রায় সব সাহিত্যেই নর-নারীর সম্পর্কের জটিল রসায়ন একটি জনপ্রিয় বিষয়। বাংলা সাহিত্যের ঊনবিংশ শতকের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসেও এ চিরায়ত বিষয়টি উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০ বছর সামহোয়্যারইন ব্লগে: লেখক না হয়েও টিকে থাকা এক ব্লগারের কাহিনি B-)

লিখেছেন নতুন, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২



২০২৬ সালে আরেকটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেগেছে একটু আগে।

ব্লগার হিসেবে ২০ বছর পূর্ন হয়ে গেছে। :-B

পোস্ট করেছি: ৩৫০টি
মন্তব্য করেছি: ২৭০৭২টি
মন্তব্য পেয়েছি: ৮৬৬৭টি
ব্লগ লিখেছি: ২০ বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপি: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উদীয়মান শক্তি ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫০


২০২৬-এর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল যখন বের হলো, তখন দেশের রাজনৈতিক মহলে একটা চাঞ্চল্য পড়ে গেল। জাতীয় নাগরিক পার্টি: যাদের আমরা এনসিপি বলে ডাকি—প্রথমবারের মতো নির্বাচনে নেমে ৩০টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথমেই বিএনপির যে কাজগুলো করা জরুরি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৪৬


বিএনপির প্রথম কাজ হলো তারা যে “অত্যাচারী” নয়, তা মানুষের কাছে প্রমাণ করা। "ক্ষমতাশালী" মানে যে ডাকাতি, লুটপাট এবং মাস্তানির লাইসেন্স পাওয়া নয়, এটা নিশ্চিত করা। এর জন্য তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×