হঠাৎই শ্রান্ত পথ, উদভ্রান্ত নির্জন
কোন রেখা না রেখেই,
কান্ত চোখে আকাশ দেখলাম মলিন ধুসর -
যদিও একটু রং এর ছোপ
ল্যাপ্টানো এদিক সেদিক।
রোদের ঢেলায় পা রেখে
অরুনাক্ষী দাঁড়িয়ে ছিল দুরে -
এক ক্রোশ দু' ক্রোশ নয়
সামান্যই দুরে।
আর এখানে নিজের ছায়ায় আমি।
একটু বাতাস চাইলাম
আহা ! যেন আমৃত্যু নিঃশ্বাস !
একরঙ্গা রোদ এসে ভেজালো সে মাটি,
কোথায় সে বাগান আর শষ্য ভেজা জল ?
সামনেই দাঁড়িয়ে তখন অনাদীরামের ভিটে --
পাতার আড়ালে,সেই মোহন নিটোল নিবাস।
অসহিষ্ণু আমি,
অরুনাক্ষীর হাত ছুঁতেই কেঁপে উঠলো পথ
মুহুর্তেই রোদের ঢেলা অশান্ত আগুন,
অনাদিরামের বাড়ীও তখন সফেদ সলীল --
নারী আর্শ্চয্য শিশু, আর পুরুষ নারীর,
হাত ধরে অনাদিরাম
ফিরবে কি বাড়ী ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




