গতকালের পত্রিকায় পড়লাম তিনজন ছিনতাইকারীকে গনপিটুনি দেয়া হয়েছ। কথিত ছিনতাইকারীদের একজন পরে মারা যায়। এমন ঘটনা আমাদের দেশে নতুন নয়। বহুবার ঘটেছে। একসময় তা ফ্যসান হয়ে দাড়িয়েছিল। তাতে অনেক নিরপরাধীকেও প্রান হারাতে হয়েছে। যাকে অপছন্দ, তাকে ভীড়ের মঝে একবার ছিনতাইকারী বা পকেটমার হিসেবে প্রকাশ করতে পারলেই সাফল্য অনিবার্য। ভীমরুলের মতো ঝাপিয়ে পড়বে তার উপর সুবোধ মানুষের দল। মানবিকতা, ধর্ম সবই অচল তখন। সচল হয় হাত, পা , কব্জির জোর আর হিংস্রতার দানবীয় উল্লাস। কেন তথাকথিত সুবোধ সমাজ আজ এতটা হিংস্র ? কেন মানবতা আর ধর্মের আজ এই নিদারূন পরাজয় ?
হতে পারে এবারকার ঘটনার এরা সত্যিই ছিনতাইকারী। তারপরেও একটি নাগরিক সমাজের সদস্য হিসেবে এ অধিকার আমাদের হাতে বর্তাতে পারে ? আমরা সবাই কি র্যাব হয়ে যাচ্ছি ? আমরা র্যাব, র্যাবও র্যাব, তাহলে সন্ত্রাস কমছে না কেনো ?
তেমনি ঝাপিয়ে পড়েছিল ভার্সিটি চত্বরে সুবোধ ছাত্রদের দল অসহায়া বাঁধনের ইপর। কারণ আলাদা হলেও ঘটনার চেহারা একই। ভার্সিটির ঘটনায় তথাকথিক ছাত্ররা ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছে একজন অসহায়া নারীকে, আর ছিনতাইকারীদের ঘটনায় তারা ধর্ষণ করছে একাটা সমাজকে। আর কতদিন চলবে এই ধর্ষণ ? তাছাড়া আরেকটি প্রশ্ন আসে। যখন বাধনকে ধর্ষনের চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন এই ধর্ষনকারীদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল ক'জন তথাকথিত ভলোমানুষ ? কোথায় আমাদের বিবেক ? কোথায় আমাদের ধর্মীয় মুল্যবোধ ? আমরা কি এই পোষ্টের সাথে দেয়া ছবির সময়ে ফিরে যেতে চাইছি ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




