আমাদের দেশে ফ্যামিলি নেম ব্যবহার করা হয় কম বা নেই বললেই চলে। ইমতিয়াজ আহমদের ফ্যামিলি নেম কি হতে পারে। সাধারনত: আহমেদ হবার কথা। অনেক সময় দেখা যায় আহমেদ সাহেব তার ছেলের রাখলেন বশীর ইমতিয়াজ। ফ্যামিলি নেম টা কি হলো তখন ? বাইরে এ নিয়ে সমস্যা হয়। মাকবুল সাহেব সঠিক টি জানেন না বলেই দু'জায়গায় দু'রকম বলেছেন। পরে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। অনেক সময় বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সমস্যা আরো একটি দিক থেকেও আসতে পারে। আমার এক পরিচিত 'হক' অফিসিয়াল কিছু কাজের জন্যে দেশ থেকে কাগজপত্র আনিয়েছেন। সেখানে ফ্যামিলি নেম নিয়ে সমস্যা না থাকলেও বানান নিয়ে তাকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনটি কাগজে তিনরকম ইংরেজী বানানে 'হক' লেখা হয়েছে। কারনটা জানা। মুল হক শব্দটি আমরা বাংলায় লিখি। তাকে অনুবাদ করে ইংরেজী লেখাতেই এই বিপত্তি। এ বানানের ব্যাপারে আবার বাইরের অফিস আদালতগুলো যথেষ্ট স্পর্শকাতর। সুতরাং সমস্যা অনিবার্য। কাগজগুলো আবার করাতে হয়েছে তাকে নতুন করে। আবার পিয়ন বিড়ি টানতে টানতে, কেরানী সাহেব পান চিবুতে চিবুতে, আর অফিসার সাহেব জোহরের নামাজ পড়ে আলহাম্দুলিল্লাহ্ বলে বাম হতে ঘুষ আদায় করলেন। আর নিজস্ব পরিশ্রম আর দৌড়াদৌড়ি তো রয়েছেই।
সেজন্যে পরামর্শ। দেশের বাইরে যাবার আগে নিশ্চিত হয়ে নেয়া দরকার, নামের কোন অংশটি ফ্যামিলি নেম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিবারের প্রত্যেককেই সেটাই ব্যবহার করা ভালো। দেশ থেকে কোন কাগজপত্র যোগাড় করতে হলে বানান ভাল করে দেখে নেয়া অবশ্যই জরুরী। আর একটা কথা মনে রাখা দরকার, বাইরের সরকারী সংস্থাগুলো আমাদের দেশেরগুলোর মতোই, এসব নিয়ে বিপদে ফেলতেই আগ্রহী বেশী, সাহায্য করে নয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



