somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নগ্নাগারে আমাদের ন্যাংটা রাজনীতিবিদগন

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনেকবারই রাজনীতিবিদদের বলা হয়েছে পোষাক পড়, আর ন্যাংটো হয়ে থেক না। ভাল দেখাচ্ছে না। ওনারা তাতে কর্ণপাত করার দরকার মনে করেন নি। ওদের যুক্তি: ন্যাংটো হয়ে না থাকলে দেশের লোক আমাদের ভয় পায়না, মান্য করে না।

প্রশ্ন করা হয়েছিল,
- আপনপদের কি কোন ভয় নাই?
- ভয় থাকবে কেন? দেশটা তো আমাদেরই দখলে।
- আপনাদের কি শরম করে না?
- শরম করবো কেন, সারা দেশইতো অন্ধকার!
- তো অণ্ধকার থাকলে তো দেশের লোক আপনাদের দেখেও না। ভয় পাবে কেন?
- আরে মিয়া, দেখাটা বড় কথা না, না দেখে উপিস্থিতি টের পাওয়াই হচ্ছে আসল।
- এটা আবার কেমন ভয়?
- ছোটবেলায় ন্যাঙটো ফকিরের ভয়, ন্যাংটো দৈত্যের ভয়, জুজুর ভয়।
- এই ভয় দেখিয়ে আর ক্থদিন চলবে?
- কেন? চলবে না কেন? দেশের লোকের মেরুদন্ড আছে নাকি?
- তার মানে, আপনাদের ভয়, শরম কোনটাই নাই।
- ঠিক বুঝছেন।

কিন্তু কাহিনী আর সেরকম নেই। দিনকাল সামান্য হলেও পাল্টেছে। এখন দেশের লোকের মেরুদন্ড সোজা করার পক্রিয়া চলছে। সে প্রক্রিয়া সফল হতেও পারে, না ও হতে পারে। তাতে আবছা হলেও কিছুটা আলো দেখা যাচ্ছে। তাতে ন্যাংটা রাজনীতিবিদদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ছে সবার সামনে। বড় কদর্য সে দৃশ্য। তাই তাদেরকে নগ্নাগারে ঢোকানো হচ্ছে একে একে। তারা সেখানে মিলে মিশে একে আন্যের ন্যাংটো চেহারা দেখেই প্রীত হতে বাধ্য হচ্ছেন।

আমরা সাধারণ মানুষ আশায় আছি।
- হয়তো তারা কোনদিনই বেরুবেন না।
- বেরুলেও হয়তো এবার কাপড় পরার যোগ্য হবেন।
- নিজেরাও শরম পাবেন ও কাপড় পরার প্রয়েজনীয়তা অনুভব করবেন।
- ভর দুপুরে হলেও একটু আলো থাকবে।

এর বেশী আর কি চাওয়া থাকতে পারে আমাদের? আমরা তো এক অভাগা দেশের আরো বেশী অভাগা নাগরিক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন মসজিদের কাজ শুরু করলাম

লিখেছেন প্রামানিক, ২৫ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

আলহামদুলিল্লাহ্, নতুন মসজিদের কাজ আজ থেকে শুরু হলো। আজ সকাল দশটায় গ্রামের কয়েকজন ধর্মপ্রাণ উদ‍্যোগী মানুষ নিজ উদ‍্যোগেই মাটি কেটে দিয়েছে।

আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসাহাসি থেকে সাফল্যের ইতিহাস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২



এক সময় অনেক সমালোচনার মুখে ছিল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (সাবেক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)। তখন অনেকেই বলেছিল, এত টাকা খরচ করে এসব করে কোনো লাভ হবে না। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×