ছেলেটির নাম অস্কার। বয়েস বারো হলেও দেখতে আটের মতো। গুন্টার গ্রাস লিখেছেন, তিন বছর বয়েসে সিড়ি থেকে পড়ে গিয়েছিল বলে বাড়েনি আর। হয়তো তখনকার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক নৈরাজ্য আর নাজীদের বর্বরতা দেখে বাড়তে ইচ্ছে হয়নি তার।
সম্বল তার একটি টিনের তৈরী ঢোল আর তার তীব্র চেচানোর শক্তি। সে যখন চেচায়, তখন আশে পাশের জানালার সমস্ত কাচ ভেঙ্গে পড়ে একসাথে। এটাই তার প্রতিবাদের ভাষা।
শহরে নাজীদের বিরাট সভার আয়োজন করা হয়েছে। বড় বড় কুখ্যাত নেতারা আসবে, ইহুদী নিধনের উস্কানী দিয়ে উদ্্বেলিত করা হবে সবাইকে। তার জন্যে যুদ্ধ বাজনার আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সবাইকে এই বাজনার তালে তালে িেপয়ে তোলা যায়। অস্কার বাজনাদরদের মাঝে লুকিয়ে মিশে গেল তার ঢোল নিয়ে। তার ছোট্ট ঢোল নিয়ে বাজনার তালকে এমন ভাবে ঘুরিয়ে দিল যে, যুদ্ধ বাজনা আনন্দ বাজনায় পরিবর্তিত হয়ে গেল। যুদ্ধ ভুলে সবাই মিলে নাচা শুরু করলো একসাথে।
আরো কয়কেটি অস্কার থাকলে হয়তো দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগতো না, ইহুদীদেরকেও হয়তো এভাবে মরণ গ্যাসের কবলে পড়তে হতো না।
আহা! আমাদের দেশেও যদি কয়েজন অস্কারের জন্ম হতো!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


