রাগ ইমন, আপনি বিশ্ব নারী দিবসে পোষ্ট দিয়ে কিছু ব্লগারের মন্তব্যে আঘাত পেয়েছেন। মনে করবেন আমরা যে সমাজে আছি, অতি জঘন্য হলেও এ সমাজে এটাই স্বাভাবিক। তার পাশাপাশি আমি প্রবাসী সমাজের কিছু চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
জার্মানীতে যে সব তুর্কি মুসলিম প্রবাসী রয়েছে, তাদের অনেককেই বহুগামী। তারা বিয়ারের আড্ডায় যায়, নারী বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যায়, বিছানায় যায়। তাদের মাঝে যারা বিবাহিত, তাদেরকে তাদের বউ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম,
- তোমাদের বউরা এমন কিছু করলে কি করবে?
- ওরা যাবে কেন? এটা আমাদের ধর্মে নেই।
- তুমি যাচ্ছ যে?
- না, ওরা যেতে পারবে না, তাহলে ওদেরকে খুন করে ফেলব।
আফগানি প্রবাসীরা হুইাস্ক, বিয়ার নিয়ে আড্ডা জমাতে বেশ ভালবাসে। এদের আলোচনার ভাষা এত নোংরা, যে কানে হাত দিতে হয়। তাই একবার গিয়ে আর যাই নি। তাদের স্ত্রীদের এসব আড্ডায় থাকা একেবারেই নিষেধ। তাদেরকে এসব প্রশ্ন করলেও তারা একই উত্তর পাওয়া যায়।
আমাদের বাংলাদেশী ভাইএরা জার্মানদেরকে বিয়ে করে এখানে থাকার ব্যাবস্থা সুদৃঢ় করে নিয়ে এখন তালাক দিয়েছেন তাদের বউদের। বেশীরভাগই দেশী বউ ঘরে এনে নিদেনপ েঘরের ভেতরে পাক্কা মুসলিম সেজেছেন। এমনকি গরুর মাংশও তুর্কী দোকান না হলে ঘরে আনেন না। তবে পাক্কা মুসলিম হলেও বৈধ কাজ ছেড়ে কাল কাজ করে বিধর্মীদের বেকার ভাতা হজমকে হারাম মনে করেন না।
এখন আর জার্মান সমাজকে এরা পছন্দ করেন না। রেষ্টুরেন্টে চোরাই কাজ সেরে এসে কোট টাই পড়ে বাঙ্গালী এক বাচ্চাকে কাঁধে আর পোয়াতী বউএর হাত ধরে বাঙ্গালী অনুষ্ঠানে এসে জার্মান সমাজ ও জার্মান মহিলাদের শ্রাদ্ধ করেন।
তবে মাঝে জার্মান বান্ধবীদের সাথে বিছানা ভোগ করা এরা সবাই স্বর্গীয় দ্্বায়িত্ব হিসেবেই দেখেন।
তাদেরকে আগের প্রশগ্নগুলো করলেও তারা একই উত্তর পাওয়া যায়।
এদের কাছে এই নারী দিবসেও কি আশা করা যায় রাগ ইমন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



