somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটগল্প: এক্কা দোক্কা, ঠুস!

১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আস্তে আস্তে বন্দুকটি বের করলো কামরুদ্দীন। পলিথিনের মোড়কের ভেতরে সামান্য মরচে পড়লেও জিনিসটি ভালই আছে বলে মনে হলো। এটাকে আবার ঠিকঠাক করার সিদ্ধান্ত নিল সে। নিজের সুসময়ের এই সাক্ষীকে এভাবে মাটির নীচের অন্ধকারে! কেমন যেন এক পাপবোধ হলো মনে। কাঠের মসৃন অংশটির গায়ে হাত বুলিয়ে অপার্থিব এক আরাম বোধ করায় সে পাপবোধ কমে গেল সহসা। এই রাইফেল না থাকলে তাকে পাত্তা দিত নাকি কেউ! কালো, রোগাপটকা চেহারা, লেখাপড়ায় গন্ডমুর্খ, এক দুই ক্লাশ মক্তবের বিদ্যায় আর কতটুকু মান! কিন্তু এটা হাতে পাবার পর পরই ভোল পাল্টে গেল। সবাই খাতির করা শুরু করলো। কামরুদ্দীন মনে মনে সালাম দিল মেজর জহর বাটকে। এই বাট সাহেবই হাতে অস্ত্র দিয়ে বুকে সাহস দিয়েছেন।

অন্দর মহল থেকে সকিনার আর্তনাদ ভেসে এলো। সেই সাথে দাইএর খনখনে গলা। সকিনার জন্যে বেশ মায়া হলো কামরুদ্দীনের। এক একটি জন্মের জন্যে এত কষ্ট! দশ মাস পেটে বয়ে বেড়ানো, তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা এতো কঠিন যন্ত্রণা! সে তুলনায় মৃত্যুকে কতো সহজ! এই রাইফেলেরই একটা গুলি জায়গামতো। ঠুস্! একমুহুর্তের মাঝেই জীবন থেকে মরনে পা। অনেকটা এক্কা দোক্কা খেলার মতো। হঠাৎ ছোটবেলার পাতানো দোস্ত ফরিদের কথা মনে এলো। এক্কা দোক্কা খেলতে খেলতেই একসাথে বড় হয়েছে দু’জনে। ফরিদ ছাড়া গ্রামের আর কারো কাছেই তো পাত্তা না পেতো না। যখন রাজাকারে যোগ দেবে বললো, তখনও ফরিদ দিনে দুপুরে সাথে সাথেই ছিল। কতো অনুনয় বিনয় করলো,

- দোস্ত, তুই যাইস না রাজাকারের দলে! যারা আমাগো মানুষ মারতাছে, হেগো দলে যাওন ঠিক অইব না দোস্ত।
- এইডা কি কস ফরিদ্যা? আমাগো মুসলমানের দেশ পাকিস্তান। এইডারে শত্রুরা দখল করব, আর আমি ঘরে বইয়া থাকমু! তুইও লগে চল! মুসলমান তুই, মুসলমানের কাম কর!
- তারপরও হেরা বিদেশী। দেশী অইলে এমন কইরা আমাগো মারতো হেরা? দেশ স্বাধীন অইলে হেরা ভাগব। তহন তুই কই যাবি?
- স্বাধীন দেশের আবার স্বাধীনতা কি রে ফরিদ্যা। আর হেরা মানুষ মারে নাই, মারছে কাফির আর গাদ্দার! হেরারে বিদেশী কস! হেরাই অইল আসল দেশী। সব মুসলমান দেশী। হগলেই ভাই ভাই। আমাগো মসজিদের মৌলবিসাব জুম্মার দিন কি কইল, শুনস নাই?

কোন যুক্তিতেই বোঝাতে না পেরে তখন হাল ছেড়ে দিয়েছিল ফরিদ। কিন্তু মনে মনে যে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেবার পরিকল্পনা করেছে, সেটা জানতো কামরুদ্দীন। মৌলভী সাহেবের পরামর্শেই একদিন কামরুদ্দীন গিয়ে হাজির হলো পাকিস্তানীদের ক্যাম্পে। সৈন্যদের দেখে খুবই আনন্দ হলো তার। কি জোয়ান জোয়ান একেকটা মানুষ আর কি জেল্লাই তাদের চেহারা! অস্ত্রসস্ত্রের কি বহর! এদের সাথে পাল্লা দেবে হাভাতে মুক্তিবাহিনীর দল! এদের জোর কোথায়? এমনকি ধর্মের জোরও নেই। শালারা চলে তো ইন্ডিয়ার হিন্দুদের কথাতে। বেইমানী করে দেশটা ওদের কাছে বেঁচে দিতে চায়, আর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আমাসী মুজিবের কথায় ওঠে বসে।

দুই মাস চললো ট্রেনিং। দলের বেশীরভাগই মাদ্রাসার ছাত্র। ট্রেনিং শেষে ডাক পড়ল মেজর জহর বাটের অফিসে। এক সৈন্য নিয়ে গেল তার কাছে। লম্বা এক সালাম ঠুকে মেজরের ঘরে ঢুকলো কামরুদ্দীন। মেজর তার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন আপাদমস্তক চিনে নিল একসাথে। তারপর উর্দুতে জিজ্ঞেস করলো,
- নাম কি?
- আমার নাম কামরুদ্দীন স্যার। মোহাম্মদ কামরুদ্দীন খান।
- খান! তোমার মতো কালা আদমীর নাম খান কি করে হয়?
প্রশ্ন শুনেই ভয় পেলো কামরুদ্দীন। খান অংশটি যে বানানো, টের পেয়ে গেল নাকি মেজর? তাই হাত কচলানো ছাড়া আর কিছু বলার সাহস পেলো না সে।
- তুমি হিন্দু?
এবার জিব কাটলো কামরুল্লাহ। মাথার গোলটুপিটা হাতড়ে দেখলো, যথাস্থানে আছে কি না।
- আমি মুসলমান হুজুর, আমার বাপও মুসলমান।
- তোমার বাপ আছে, বাঙ্গালী আদমীদের বাপ থাকে? এটা কেমন কথা। বাপ থাকলে তোমরা মুসলিম ভাইদের সাথে যুদ্ধ করতে, ষড়যন্ত্র করতে?
- আপনে ঠিকই কইছেন। যারা যুদ্ধ করে, তাদের বাপ নাই জনাব, ওরা বেশ্যার পোলা। আমার বাপ আছে।
- মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে আছে জান?
- মুক্তিবাহিনী আবার কারে কয় হুজুর। হেরা তো হিন্দু শয়তানের দল। একজন দুইজন থাকলেও চিনিনা, তবে খুইজ্যা বাইর করতে পারমু।
- খুজে বের কর এই হারামীদের। এরা দেশের শত্রু, মুসলমানদের শত্রু, আমাদের শত্রু।
খান নামের বিপদ থেকে আপাতত: মুক্তি পেয়ে হাঁপ ছেড়ে বাঁচল কামরুদ্দীন।
- ইমানে কইতাছি, ওদের একটারেও বাচতে দিমুনা হজুর!
- হ্যা, বাঙ্গালীর আবার ইমান। যাও! ভাগো! আমার জুতাগুলো ভাল করে পরিস্কার করে রেখো। দরকার পড়লে জিব দিয়েও চাটবে!

আবার আরেকটা লম্বা সালাম ঠুকে মেজর সাহেবে ঘর থেকে বেরিয়ে এলো কামরুল্লাহ। নিজেকে অনেক লম্বা মনে হলো। কত বড় কামেল মানুষের সেবায় সে, লম্বা মনে হবারই কথা। ধর্মের প্রতি কি ভক্তি মেজরের! ধর্মকে বাঁচানোর জন্যে কত দুর পথ পাড়ি দিয়েছে। দেশের দ্বায়িত্ব এদের হাতে না থাকলে, থাকবে কাদের হাতে?

মেজর সাহেবের সেবা করতে খুব ভাল লাগতো তার। এমন মানুষের সেবা করা তো সোয়াবের কাজ। সাহেবের পা টিপতে টিপতে স্বর্গসুখের অনুভুতি পেতো। একদিন মেজরের ডান পায়ের তলায় বড় একটি কাল দাগ দেখে ভয় পেলো কামরুদ্দীন। হয়তো কোন ক্ষত, কোন যুদ্ধের চিহ্ণ! কিন্তু কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পেলো না সে। কিন্তু তার দু:শ্চিন্তা টের পেলো মেজর। এটা যে জন্মদাগ সেটা শোনার পর অনেকটা শান্তি হলো তার। প্রথমে কিছুটা অবিশ্বাস হলেও বারকয়েক খুটিয়ে দেখার পর নিশ্চিত গলো সে। পায়ের এই দাগটায় মালিশ করতে তার খুব ভাল লাগতো, আর মেজর সাহেবও যেন বেশী আরাম পেতো।

ধর্মের সামনে ভাই, বোন, দোস্তের হিসেব নেই। তাই মেজর সাহেব, আর আরো কিছু সৈন্য নিয়ে হাজির হলো কামরুদ্দীন একদিন ফরিদের বাড়ীতে। ফরিদ তাকে দেখে এতোই হতচকিত হলো যে, পালানোরও চেষ্টা করলো না। বোবা অবিশ্বাস আর আতংক চোখে তাকিয়ে রইল শুধু। পিস্তলের গুলির নাকি দাম বেশী, তাই তার এই বন্দুক নিয়েই মেজর সাহেব ফরিদের কপালে গুলি করলেন। ঠুস! ফরিদ জীবন থেকে এক্কা দোক্কা খেলতে খেলতে মরণে ঘরে পা রাখলো। জন্ম যত কঠিন, মরণ তার থেকে অনেক অনেক সহজ। শত্রুর মাল গনিমতের মাল। সে মাল ভোগ করা মুসলমানদের কর্তব্যের মাঝে পড়ে। ফরিদের বউও গনিমতের মাল। তাই সবার আগে মেজর, তারপর বাকী সৈন্যদের একজন একজন করে ভোগ করল ফরিদের বৌকে। কিন্তু কামরুদ্দীনের পালা আসার আগেই তার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে মরে গেল বৌটি। সেই দৃষ্টির কথা মনে হলে এখনও গা শিরশিরিয়ে ওঠে তার।

যাতে গ্রামের লোকজনের কাছে সন্মান বাড়ে, সেজন্যে নিজের বাড়ীতেও নিয়ে গিয়েছিল মেজর সাহেবকে। মেজর সকিনাকে ‘বহিন’ ডেকেছেন। সকিনার হাতের রান্না খেয়ে খুব ভাল লেগেছিল তার। তাই বেশ কয়েকবারই গিয়েছেন তাদের বাড়ীতে। বলতেন, যুদ্ধ শেষ হলে ওদেরকে নাকি পাকিস্তানে নিয়ে যাবেন। সকিনা মাঝে মাঝে বিরক্ত হতো। কিন্তু মেয়েমানুষের কথায় বেশী পাত্তা দিলে কি চলে?

কিন্তু কি ভাবে কি হলো, বোঝা গেলো না। ডিসেম্বরের এক রাতে হঠাৎ আক্রমন হলো ক্যাম্পে। চারপাশ থেকে ঘিরে ধরলো মুক্তিবাহিনী। সে রাত সকিনার কাছে বাড়ীতেই ছিল কামরুদ্দীন। নিজের বন্দুকটি বাড়ীর পেছনে এক গর্তে পলিথিনে মুড়ে লুকিয়ে পালিয়ে বাঁচলো সে। সকিনাকে পাঠালো পাশের গ্রামে তার বাবামায়ের কাছে। আগুন জললো ক্যাম্পে। মেজর সাহেবে লাশ পাওয়া গেল ক্যাম্পের পুকুরের পাড়ে। একমাস এদিক সেদিক ভোল পাল্টে কাটিয়ে কামরুদ্দীন মুক্তিবাহিনী সেজে ওদের সাথেই ঢুকলো এসে গ্রামে। তারপর তাকে কেউ কিছু বলে, এই সাধ্য কার!

এসব ভাবতে ভাবতে বন্দুকটা পরিস্কার করার জন্যে একটি পুরোনো কাপড়ের জন্যে এদিক এদিক তাকালো সে। তক্ষুনি দাই হাসিমুখে বেরিয়ে এলো আতুড় ঘরের বাইরে। তার ছেলের জন্মের কথা শুনে অযু করে খুশীতে আজান দিল কামরুদ্দীন। তারপর ঢুকলো আতুর ঘরে। বউ সকিনা ক্লান্ত শরীরে এলিয়ে আছে বিছানায়। তারপরও উজ্জল চেহারায় ইশারা করলো পাশে শোয়া ছেলের দিকে। সাবধানে ছেলেকে কোলে নিল কামরুদ্দীন। আদরে হাত বোলালো মাথায়, গালে, শরীরে। ধুপ জালানো হয়েছে ঘরে। তারই সুগন্ধ যেন আরো গভীর হয়ে লেগে আছে ছেলের শরীরে। হাতের গন্ধ, পায়ের গন্ধ নাকে লাগিয়ে শুকলো। ছোট্ট ছোট্ট মোলায়েম হাত আর পা। ছুয়েই আরাম বোধ হয় শরীরে। প্রথম বা’পাটি নাকের কাছে নিয়ে শুকলো। তারপর ডান পা। মায়ের পেট থেকে বাইরের আলো বাতাসে আসার ক্লান্তিতে একটু যেন কুচকে আছে। পায়ের তলায় তাকিয়ে চমকে উঠলো কামরুদ্দীন। কালশিটের মতো কালো দাগ একটা। ভয় পেলো, জন্মের কোথাও কোন জখম হলো কি? তারপরই চট করে মনে হলো, কতোটা পরিচিত এই দাগ নিজের কাছে। একই চেহারার একটি দাগে কতোবার মালিশ করেছে সে। রক্তশুন্য চেহারায় বিধ্বস্ত কামরুদ্দীন কোন কথা না বলে ছেলেকে মায়ের কাছে রেখে দ্রুত বেরিয়ে এলো বাইরে।

কিছুটা সময় চুপচাপ বসে থাকার পর একটু শান্ত মনে হলো নিজেকে। তার চেহারায় রক্ত ফিরে এলো আবার। এবার মনে মনে ধন্যবাদ জানালো অপার করুনাময় আল্লাহকে। আল্লাহর ঈশারাতেই তার সন্তানের রূপ ধরে এই কামেল মানুষটি ফিরে এসেছে ঘরে। দেশে ইসলাম রক্ষার জন্যে এসব মানুষেরই দরকার। কিন্তু সকিনার কথা ভেবে যুক্তিহীন উন্মাদের ঘৃণা জমলো ভেতরে। এই বউকে নিয়ে কি করে জীবন কাটাবে সে? এসব ভাবতে ভাবতে বন্দুকটি হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ালো কামরুদ্দীন।

১৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পেঁয়াজ নিয়ে বিপ্লব টিপ্লব, সরকার বদল টদল হবে নাকি?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬



পেঁয়াজ এমন একটা খাদ্য, যেটার অভাবে মানুষ মরে না, পুষ্টিহীনতায়ও ভোগে না, পেঁয়াজু আলচারের সৃষ্টি করে; তা'হলে, পেঁয়াজ নিয়ে সরকার ও মানুষ এতো চিন্তিত কেন? জাতি প্রয়োজনীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমকামিতার স্বরূপ অন্বেষন - সূচনা

লিখেছেন নীল আকাশ, ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০২



যত দিন যাচ্ছে পৃথিবী যেন ততই পাল্টে যাচ্ছে। ছোটবেলায় শিখে আসা অনেক শিক্ষাই এখন যেন মূল্যহীন হয়ে পরেছে। ছোটবেলায় বন্ধুরা হাত ধরাধরি করে এখানে সেখানে ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতাম। আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি লেখা পাঠিয়েছেন তো? আজ কিন্তু শেষ দিন!

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২১

কাউন্ট ডাউন চলছে - - -
আর মাত্র ১৫ দিন!
আমাদের ব্লগারদের দারুন রোমাঞ্চকর আয়োজন “ব্লগ ডে” উদযাপন করতে যাচ্ছি।

দারুন একটা স্মরনিকার কথা আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন সকলেই।
তাতে লেখা জমা দেবার আজ কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

...কুয়াশা মাড়িয়ে আমার অনেক রৌদ্র আছে, স্বর্ণালী প্রান্তরে... কবিতা সংকলন ও সেরা-৩০, নভেম্বর ১৬-৩০, ২০১৯!!

লিখেছেন বিজন রয়, ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০১


সেরা-৩০ঃ
০১. স্বপ্নবাজ সৌরভ - অসমাপ্ত ছবি
০২. নীল আকাশ - কবিতাঃ সুন্দরী আমি, হার্টথ্রব মডেল হতে চাই! - ৩
০৩. সোনালী ডানার চিল -বিবেক, তুমি কি সহমরনের এ্যাটোমিক পিরানহা!
০৪. লাইলী আরজুমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধিনাক ধিনাক তাক ধিন আজকে দাদার জন্মদিন :)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬



হইহই রইরই সুর কলরব, সুখের বাজনা বাজে
হাওয়া নিয়ে এলো খবর, আজ আমাদের মাঝে
এই পরিবারে এক সদস্য নাম জানো কী বিজন?
ব্লগ বাড়িটা কেনো তবে, আজকে আছে নির্জন?



জন্মদিনের বার্তা দিতে, এলেম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×