বাংলাদেশে আমরা চা বলতে একমাত্র আমাদের অতি পরিচিত কালো চা'ই বুঝি। সেই চা পানের সময় আমরা কোন কোন সময় এতে দুধ দিই, কোন কোন সময় না। তবে পশ্চিমা দেশগুলোতে চা এর সংজ্ঞা আমাদের দেশ থেকে একটু ভিন্ন। সেখানে আমাদের অতি পরিচিত কালো চা এর পাশাপাশি স্বাদ, গন্ধ ও ব্যাবহারের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন রকমের চা পাওয়া যায়। নানা রকমের ফল,ফুল ও গাছের পাতা, তাদের স্বাদ, গন্ধ ও ভেষজ উপকারীতা বিশ্লেষন করে মেশানো হয়। মিশ্রনে আমাদের কালো চা ও অনেক সময় নেয়া হয়।
সাধারণত: ভারত, শ্রীলংকা, চীন, বাংলাদেশ থেকে চা আমদানী হরা হয়। চীনের সবুজ চা এর কদর ধীরে ধীরে বাড়ছে এখানে। ইয়ামিন চা চীনা রেষ্টুরেন্টের কল্যানে অনেক আগে থেকেই বেশ পরিচিত এখানে। অভিজাত চা হিসেবে কদর পেয়েছে ভারতের দার্জিলিং চা। এর হালকা সুগন্ধ ও স্বাদ উপভোগের মানসে এখানকার চা'পায়ীরা এতে দুধ মেশান না।
তাছাড়া বিভিন্ন রোগের ঔষধ, প্রতিশেধক হিসেবেও চা এর ব্যাবহারিতা রয়েছে। সেজন্যে মেশানো হয় নানা ধরণের ভেষজ পাতা। তৈরী তরা হয়, পেটপীড়ার চা, হজমশক্তি বাড়ানোর চা, সর্দির চা, ঘুমের চা, ইত্যাদি।
শিশুদেরকেও জন্মের পর বুকের দুধের পাশাপাশি ফিডিং বোতলে চা দেয়া হয়। সেটাও নানা গাছগাছড়ার পাতা মিশিয়ে ওদের জন্যে আলাদাভাবে তৈরী।
সেকারণেই আমাদের এক বন্ধু এক চা এর দোকানে গিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, " তোমাদের এখানে এমন চা পাওয়া যায়, যা আসলেই চা ?"
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



